(বিএনপি কমিউনিকেশন) — বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের মধ্যেই কেবল দেশের সকল নৃ-গোষ্ঠীর অভিন্ন সমতার ভিত্তিতে নাগরিক মর্যাদা নিশ্চিত হয়।

বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রামের নৃ-গোষ্ঠী সমূহের বাংলা নবর্বষের উৎসব উপলক্ষে বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এক বাণীতে অভিমত ব্যক্ত করেন।

বৃহস্পতিবার, ১৩ এপ্রিল পাঠানো বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বাণীটি নিচে তুলে দেয়া হলো –

“বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রামের নানা নৃ-গোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী সর্ববৃহৎ সামাজিক ও জাতীয় উৎসব-বিজু, সাংগ্রাই, বৈসুক, বিষু, বিহু ও চাংক্রান-২০১৭ ইং ও বাংলা নবর্বষ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ উপলক্ষে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিবাদন জানাই। এই উৎসব ঐ এলাকার বিভিন্ন নৃ-গোষ্ঠীর ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির বিকাশে সহায়তা করে। বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। আবহমান কাল থেকে প্রত্যেক ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী আনন্দঘন মূহুর্তের মধ্যে উৎসবগুলো পালন করে থাকে। হাজার বছর ধরে বাংলাদেশে নানা ধর্ম, বর্ণ, ভাষা ও জাতীগোষ্ঠী নির্বিশেষে মিলেমিশে একসাথে বাস করে আসছে। পরস্পরের মধ্যে সম্প্রীতি ও শুভেচ্ছাবোধ আমাদের সুমহান ঐতিহ্য। উৎসবের মাধ্যমেই মানুষে মানুষে সকল বিভেদ-বিভাজনকে অতিক্রম করা যায়। সকল তিক্ততা ও গ্লানীকে ভুলিয়ে দেয় উৎসবের আনন্দ। উৎসব হচ্ছে সার্বজনীন, তাই যে কোন জনগোষ্ঠীর উৎসব ক্ষুদ্র সীমানাকে বিস্তৃত করে। বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের দর্শণ দেশের সকল জনগোষ্ঠীকে একত্রিত করে। বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের মধ্যেই কেবল দেশের সকল নৃ-গোষ্ঠীর অভিন্ন সমতার ভিত্তিতে নাগরিক মর্যাদা নিশ্চিত হয়। বর্তমানে বাংলদেশের বিদ্যমান রাজনীতিতে গণতন্ত্র অনুপস্থিত, দেশে উন্নয়নের নামে চলছে একনায়কতন্ত্র । এ প্রতিকূল পরিবেশেও উৎসবের আনন্দ আমাদের সকলকে ভাগকরে নিতে হবে।”

আগামী বাংলা নবর্বষ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ সবার জন্য আনন্দবার্তা বয়ে নিয়ে আসুক।