(বিএনপি কমিউনিকেশনস)   — সোমবার, সেপ্টেম্বর ৪, ২০১৭ শেরপুর জেলাধীন সদর উপজেলা বিএনপি কর্তৃক আয়োজিত বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান-এর কারামুক্তি দিবসের আলোচনা সভায় আওয়ামী সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের হামলা এবং পরবর্তীতে শাসক গোষ্ঠির ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা দায়েরের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার, সেপ্টেম্বর ৬, সংবাদ মাধ্যমের পাঠানো বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব বলেন –

“বর্তমান শাসকগোষ্ঠী মানুষের বাক-ব্যক্তি স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক রীতি-নীতিকে হরণ করে দেশের বৃহত্তম ও জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল বিএনপিসহ অন্যান্য বিরোধী দলগুলোকে নিশ্চিহ্ন করতে প্রায় প্রতিদিনই নেতাকর্মীদেরকে গ্রেফতার এবং তাদের নামে নতুন নতুন কাল্পনিক ও উদ্ভট মামলা দায়েরের মাধ্যমে নাজেহাল করছে। জনবিচ্ছিন্ন সরকার কর্তৃক এধরণের হীন অপকর্মের উদ্দেশ্যই হচ্ছে রাষ্ট্রক্ষমতা হাতছাড়া না করা। সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বশঃবর্তী হয়েই জাতীয় সংসদের হুইপ আতিকুর রহমান আতিকের নির্দেশে শেরপুর জেলাধীন সদর উপজেলা কর্তৃক আয়োজিত বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর কারামুক্তি দিবসের আলোচনা সভায় পুলিশ ও আওয়ামী সশস্ত্র ক্যাডাররা হামলা চালিয়ে অনুষ্ঠানে ভাঙচুর করে এবং অসংখ্য নেতাকর্মীকে আহত করে।  পরবর্তীতে গতকাল ৫ সেপ্টেম্বর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হযরত আলীসহ ২৯ জনকে আসামী করে মিথ্যা ও বানোয়াট মামলা দায়ের করে।  এধরণের ন্যাক্কারজনক ঘটনা সরকারের ধারাবাহিক সন্ত্রাসী কর্মকান্ডেরই অংশ। আমি এই ধরণের কাপুরুষোচিত হামলা চালিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের আহত করা ও বানোয়াট মামলা দায়েরের ঘটনার তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও ধিক্কার জানাই এবং বিএনপি আলোচনা সভায় হামলার ঘটনায় দোষীদের গ্রেফতার  করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি করছি। এছাড়া শেরপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হযরত আলীসহ ২৯ জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা ও বানোয়াট মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহার করার জোর দাবি জানাচ্ছি এবং আওয়ামী সন্ত্রাসীদের পৈশাচিক হামলায় আহত নেতা-কর্মীদের আশু সুস্থতা কামনা করছি।”