(বিএনপি কমিউনিকেশনস)   —  বিএনপি সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বুধবার, অক্টোবর ১১, নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রেসব্রিফিং এ বলেছেন, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারীর ভোটারবিহীন নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রকে হত্যা করে ক্ষমতাসীনদের ক্ষমতাক্ষুধা সর্বগ্রাসী রূপ নিয়ে গোটা রাষ্ট্রব্যবস্থাকে গিলে খেতে উদ্যত হয়েছে। মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল বিচার বিভাগের ওপর ক্ষমতাসীনদের থাবা বিস্তার লাভ করেছে।

প্রেসব্রিফিং এর পূর্ণপাঠ নিচে তুলে দেয়া হলো –

সুপ্রিয় সাংবাদিক ভাই ও বোনেরা,

আসসালামু আলাইকুম। সবাইকে শুভেচ্ছা।

বিএনপি চেয়ারপার্সন, সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে সরকারের মদদে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির প্রতিবাদে দেশব্যাপি বিএনপির পূর্বঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসূচিতে বেপরোয়া হামলা, গুলি ও লাঠিচার্জ করেছে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী ও ক্ষমতাসীন দলের সন্ত্রাসীরা। গত দুদিনে রাজধানী ঢাকা, চট্রগাম, রাজশাহী, নোয়াখালি, লক্ষীপুর, গাইবান্ধা, বরিশাল, কেরানীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পুলিশ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বিক্ষোভ মিছিলে নির্বিচারে হামলা ও গুলিবর্ষণ করে। কোন কোন স্থানে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে হামলায় অংশ নেয় ক্ষমতাসীন দলের সন্ত্রাসীরাও। তারা বিভিন্ন জেলায় বিএনপি’র দলীয় কার্যালয় এমনকি নেতাকর্মীদের বাড়িঘর ঘেরাও করে হামলা ও ভাংচুর চালায়। বিনা কারণে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ মিছিল থেকে দলীয় নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এছাড়াও দেশব্যাপী বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের গণগ্রেপ্তার শুরু করেছে পুলিশ। প্রতিদিনই বিভিন্ন জেলায় নেতা-কর্মীদেরকে বিরামহীনভাবে গণগ্রেপ্তার করা হচ্ছে।

বন্ধুরা,

ভোটারবিহীন সরকার অবৈধ ক্ষমতার শেষপ্রান্তে এসে এখন দিশেহারা। চারদিকে বিদায়ের বাঁশী বাজতে শুরু করেছে। তাই এখন দ্বিগবিদিক জ্ঞানশুন্য হয়ে শেখ হাসিনার সরকার আরো বেশী উন্মত্ত হয়ে ওঠেছে। মানুষের সকল অধিকার কেড়ে নিয়ে এখন সর্বোচ্চ আদালতকে কব্জায় নিতে সরকারী এজেন্সির লোকেরা যে সন্ত্রাসী তাণ্ডব চালিয়েছে, তা দেখে দেশবাসী শুধু হতবাক নয় রীতিমত শঙ্কিত। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারীর ভোটারবিহীন নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রকে হত্যা করে ক্ষমতাসীনদের ক্ষমতাক্ষুধা সর্বগ্রাসী রূপ নিয়ে গোটা রাষ্ট্রব্যবস্থাকে গিলে খেতে উদ্যত হয়েছে। মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল বিচার বিভাগের ওপর ক্ষমতাসীনদের থাবা বিস্তার লাভ করেছে। সর্বোচ্চ আদালত আজ নজিরবিহীন সন্ত্রাসে ক্ষতবিক্ষত । সর্বোচ্চ আদালতের প্রধান বিচারপতিও আজ অনিরাপদ। ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায়ের পর ক্ষমতাসীনরা প্রধান বিচারপতিকে অসুস্থ গালিগালাজ ও হুমকি প্রদর্শন করেছে। তারা প্রধান বিচারপতিকে আসামির কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে। তাদের মন্ত্রীরা প্রধান বিচারপতিকে তুই তোকারি করে বলেছে তাকে শুধু চাকুরি ছাড়লে হবেনা দেশও ছাড়তে হবে। আওয়ামী সরকারের কাছে সর্বোচ্চ আদালতে মর্যাদার কোন মূল্য নেই। প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার আগেই তার বিরুদ্ধে অশোভন সমালোচনা ও মিডিয়া ট্রায়ালের এক সর্বনাশা খেলায় মেতেছে ভোটারবিহীন সরকার। মিডিয়ার দায়িত্ব সত্য তুলে ধরা। বস্তুনিষ্ঠু তথ্যের মাধ্যমে কারও বিরুদ্ধে দূর্নীতিও জনসমক্ষে তুলে ধরতে পারে, কিন্তু অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার আগেই কারো বিরুদ্ধে মিডিয়া ‘হাইপার প্রপাগান্ডা ’চালাতে পারে না। এখন প্রধান বিচারপতির ওপর যা করা হচ্ছে তা সরকার প্রধানের ব্যক্তিগত আক্রোশ। রায়ে কিছু পর্যবেক্ষণ ক্ষমতাসীনদের বিরুদ্ধে যাওয়াতে প্রধান বিচারপতির ওপর চলছে এখন রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের প্রবল ঝাপটা।

বন্ধুরা

রাষ্ট্র সমাজের আবহাওয়া এখন বৈরিতায় বিষাক্ত। ক্ষমতাসীনদের অবৈধ সত্ত্বাই তাদেরকে কান্ডজ্ঞানহীন উন্মার্গগামী করেছে। কিন্তু তাদের সকল অপকর্ম তারা লূকাতে পারছে না, উন্মোচিত হচ্ছে তাদের কুৎসিত কর্মকান্ড। এই কুপথগামী সরকারের অবলম্বন শুধুমাত্র নির্লজ্জ মিথ্যাচার আর হিংসাশ্রয়ী আচরণ। সত্য ঘটনাকে মিথ্যা বলা আর মিথ্যাকে সত্য বলা আওয়ামী লীগের আদর্শিক ম্যানিফেষ্টো। জনগণ মনে করে আওয়ামী লীগ বিশ্বাস ভঙ্গকারী একটি দল। তাই তাদের সকল অনাচারের বিরুদ্ধে সাহসী জনগণের প্রতিবাদ ও প্রতিরোধে এগিয়ে আসা ঢলের বিষয়ে তারা উৎকন্ঠিত। এই কারণে সরকার আরো হিং¯্র হয়ে উঠেছে। তাই তারা বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলোকে নিশ্চিহ্ন করতে মিথ্যা মামলা, কারাগারে আটক, গুম-অপহরণের সহিংসতার ছোবলে দেশের জনগণকে ক্ষতবিক্ষত করছে। এরই ধারাবাহিকতায় বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। এটি বিএনপিসহ প্রতিবাদী বিরোধী দলগুলোর অন্তহীণ প্রতিবাদী মিছিলকে আটকাতে সরকারের এক ব্যর্থ প্রচেষ্টা। সরকারের বিভিন্ন বাহিনীর নিষ্ঠুর বলপ্রয়োগ প্রতিহত করে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর জোরালো তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় প্রমানিত হয়েছে যে, সরকারের যেকোন হিংস্র আক্রমণ মোকাবেলা করতে জাতীয়তাবাদী শক্তি সদা প্রস্তুত।

আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র পক্ষ থেকে আজ দেশব্যাপী বিএনপি ঘোষিত বিক্ষোভ মিছিল থেকে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক গত তিন দিন ধরে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ মিছিলে ন্যাক্কারজনক হামলা, গুলিবর্ষণ ও নেতাকর্মীদের গ্রেফতারের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং অবিলম্বে গ্রেপ্তারকৃত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া হীন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা প্রত্যাহার ও তাদের নি:শর্ত মুক্তির জোর দাবি করছি। পুলিশের বেপরোয়া গুলি ও লাঠিচার্জে আহত নেতাকর্মীদের আশু সুস্থতা কামনা করছি। আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র পক্ষ থেকে বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা ও গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি প্রত্যাহারের জোর দাবি জানাচ্ছি।

এখন আমি দেশব্যাপী পুলিশী হামলা ও গ্রেপ্তারকৃত নেতাকর্মীদের একটি সংক্ষিপ্ত চিত্র তুলে ধরছি –

ঢাকা মহানগর বিএনপি

ঢাকা  মহানগর দক্ষিণ বিএনপি‘র উদ্যোগে থানায় থানায় বিক্ষোভ মিছিল চলাকালে পুলিশ মিছিলে লাঠিচার্জ করে মিছিল থেকে নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করে। কলাবাগানে বিক্ষোভ মিছিল চলাকালে থানা বিএনপির নেতা ইকবাল হোসেন টিটুসহ ৫/৭ জনকে গ্রেপ্তার করে।

ঢাকা মহানগর ছাত্রদল 

গতকাল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ স¤ক্সাদক মফিজুর রহমান আশিক, সহ-সাংগঠনিক স¤ক্সাদক আশরাফ ফারুক হিরা, স্কুল বিষয়ক স¤ক্সাদক আরাফাত বিল্লাহ খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সহ-সভাপতি সাজিদ হাসান বাবু, তিতুমির কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী শহিদুল, ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের সামাজ সেবা বিষয়ক স¤ক্সাদক ইমরান, ঢাকা বিশ্বদ্যিালয় ফজুলল হক হল ছাত্রদলের আহবায়ক রাকিবুল ইসলাম, পল্টন থাা ছাত্রদল নেত ইয়াসিন ভূইয়া, জতীয়তাবাদী যুবদল ঢাকা মহানগর উত্তর নেতা শোয়েব খান, রানা, মনির, ওমর ফারুক, বাবু, আবু সাঈদ, শাকিল আহমদ ও সাজ্জাদ মিয়া, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জাতীয়তাবাদী স্বচ্ছাসেবক দল নেতা জয়েল, মোঃ সুজন, মো¯@াক,সাইদুল, সুমন, দুলাল, উজ্জল, নারায়নগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মোল-া মোহাম্মদ শাখাওয়াত, মোঃ শাহজাহানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশের বেধড়ক লাঠিচার্জে গুরুতর আহত হয়েছে শাহজাহান পুর জাতীয়তাবাদী ¡ে¡স্বচ্ছাসেবক দল নেতা বাদল ও নিউমার্কেট থানা স্বে¡চ্ছাসেবক  দল নেতা রিংকু,। তারা দু‘জন এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এছাড়া বাগেরহাট জেলা বিএনপির সাংগঠনিক স¤ক্সাদক শেখ মোজাফফর আলম এবং সদর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক শেখ ইদ্রিশ আলী নিকারীকে গতরাতে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। বাগেরহাট জেলায় নেতাকর্মীদের বাসাস বাসায় পুলিশ গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত রেখেছে।  

সিলেট

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সিলেট জেলা শাখার সাবেক ছাত্রনেতা বর্তমানে যুক্তরাজ্য শাখার জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহিদ আহমেদ তালুকদারের সিলেটের বাসায় পুলিশ গতরাতে তল-াসীর নামে  হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর ও বাসার লোকজনের সাথে অশালিন আচরণ করে।

নোয়াখালী

আজ বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ শাহজাহানের মিছিলে পুলিশ গুলি চালিয়েছে। এতে মোঃ পারভেজ, সোহেল, জাহিদ আলম বাপ্পি, ইয়াছিন, মহিউদ্দিন, বাবুল মেম্বার, কামাল উদ্দিন, মোঃ বাবলু, বাবু, অন্তর, কামরুল, সজিব, সোহেল, আবু তাহের মিঠু, মোঃ ফারুক, নোমান, জুয়েল, সামু, ইউছুফ, পাপ্পু, আবু সাদেক, জনি, বাবলু, বুলু, শামিম, রিয়াজুল ইসলাম, রাহাত, আকবর, নাসিম গুলিবিদ্ধ হয়। এছাড়া নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ওজেলা জাতীয়তাবাদী যুবদলের বর্তমান সভাপতি মাহবুব আলমগীর আলো এবং সদর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

গাইবান্ধা

গাইবান্ধা জেলা বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলে বেপরোয়া হামলা করে পুলিশ মিছিলকে বানচালের চেষ্টা করে।পরে নেতাকর্মীরা পুলিশীর বাধা উপেক্ষা করে শহরে বিক্ষোভ মিছিল করে।

সাদুল্যাপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শামসুল হাসান শামসুকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে এবং মিছিলে টিয়ারসেল, লাঠিচার্জ এবং গুলি চালিয়েছে। এতে ৩০ জনের অধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছে। জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের নেত্রীদের লাঞ্ছিত করেছে পুলিশ।

ঢাকা

কেরাণীগঞ্জ (দক্ষিণ) থানা বিএনপির নেতা মোঃ সিরাজুল ইসলামকে পুলিশ মিছিল থেকে গ্রেপ্তার করেছে এবং বিক্ষোভ মিছিলের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ ও ক্ষমতাসীন দলের স¤ত্রাসীদের হামলায় ২৫ জনের অধিক নেতাকর্মীকে আহত হয়েছে।

বরিশাল

গতকাল বরিশালে যুবদলের মিছিলে পুলিশ বেধড়ক লাঠিচার্জ ও ন্যাক্কাজনক হামলা করে। এসময় ১০/১৫ জন নেতা কর্মী আহত হয়। এছাড়া বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়।

লক্ষীপুর 

লক্ষীপুর উপজেলা

১. কিরন পাটোয়ারী

২.সৌরভ হোসেন বুলু

৩.হোসেন আহমেদ

৪. শামসুল ইসলাম সবুজ

৫. আলাউদ্দিন

৬. বিল্লাল হোসেন

৭. হুমায়ন কবির

৮. ফিরোজ আলম

৯. মনির হোসেন

১০. সৌরভ হোসেন

১১। রায়হান হোসেনসহ মোট ১৫ জনের অধিক নেতাকর্মীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে।

ময়মনসিংহ উত্তর জেলা 

তারাকান্দা উপজেলায় মিছিল চলাকালীন সময়ে পুলিশের হামলায় বেশকয়েকজন বিএনপি নেতাকর্মী আহত হয়।

কিশোরগঞ্জ

গ্রেপ্তার

১. আশরাফুল আলম আশরাফ-বাজিতপুর উপজেলা ছাত্রদল সভাপতি।

২. আনিসুর রহমান খোকন-যুগ্ম সম্পাদক, বাজিতপুর উপজেলা ছাত্রদল।

৩. সজিব সিকদার-সাধারণ সম্পাদক, কলেজ ছাত্রদল।

৪. আলমগীর সহ মোট ৪ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ এছাড়াও সাবেক এমপি মজিবুর রহমানের বাসা সকাল থেকে এখন পর্যন্ত পুলিশ ঘেরাও করে রেখেছে।

মুন্সীগঞ্জ 

সিরাজদিখান উপজেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক ও যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য সোহেল আহমেদসহ বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

নারায়ণগঞ্জ

সিদ্ধিরগঞ্জ থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক সাখাওয়াত হোসেন মোল্লা এবং ৯ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি শাজাহানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সবাই ভাল থাকুন।

ধন্যবাদ সবাইকে। আল্লাহ হাফেজ। প্রেসবিজ্ঞপ্তি।