(বিএনপি কমিউনিকেশন)   —   শনিবার, নভেম্বর ১১, বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশব্যাপী দলের  নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের, গ্রেফতার ও বাসায় বাসায় তল্লাশীর নামে পুলিশী তান্ডবের বিবরণ উপস্থাপন করে, এইসব অন্যায়-অবিচার তান্ডবের আহ্বান জানান।

বিএনপি মহাসচিবের প্রেসব্রিফিং এ সংক্রান্ত বক্তব্য নিচে দেয়া হলো –

জাতীয়তাবাদী যুবদল এর সভাপতি সাইফুল আলম নীরব, ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদল সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তফা জামাল রিয়াদ, সহ-সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম রাহিমী, যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য ভিপি হানিফ, সাবেক কমিশনার আব্দুল মজিদ, রমনা থানা বিএনপি’র যুগ্ম আহবায়ক নাজমুল হক মাসুম, যুবদল নেতা শাহীন, টুটুল ও কাকনসহ অসংখ্য নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে বানোয়াট মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ভুয়া মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি’র সহ-সভাপতি আতিক উল্লাহ আতিক, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল খায়ের খাজা, ছাত্রদলের সহ-সভাপতি জাকির হোসেন মিন্টু, আশরাফুর রহমান বাবু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ গোলাম মোস্তফা, মোহাম্মদপুর থানা বিএনপি’র সহ-সভাপতি মোঃ শুক্কুর আলী (কোম্পানী), দক্ষিণখান থানা বিএনপি’র সহ-সাধারণ সম্পাদক এস এম ইমরান হোসেন, যাত্রাবাড়ী থানা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আমির হোসেন, দক্ষিণ খান থানা বিএনপি নেতা হাজী আশরাফ উদ্দিন, যাত্রাবাড়ী থানা বিএনপি নেতা আব্দুল কাদের, শাহবাগ থানা বিএনপি নেতা শামসুদ্দিন ভূঁইয়া, শ্যামপুর থানা বিএনপি সহ-সভাপতি মাইনুল ইসলাম মুক্তার, আদাবর থানা বিএনপি নেতা লুৎফর রহমান দীপ্তি, ছাত্রদল নেতা রবিউল ইসলাম রবি, ইয়াসির আরাফাত লিয়ন, চকবাজার থানা ছাত্রদল নেতা ইমরান খান, ঢাকা কলেজ ছাত্রদল নেতা আবদুল্লাহ আল মামুন, কামরুল ইসলাম, সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রদল নেতা রুবেল, আল আমিন, ইব্রাহিম, ওয়ারী থানা ছাত্রদল নেতা মোঃ রাব্বী, মোঃ রাসেল, নোয়াখালী জেলা ছাত্রদল নেতা মোঃ আবুল হাসান, রমনা থানা শ্রমিক দল নেতা মিজানুর রহমান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শ্রমিক দল নেতা হাবিব উল্লাহ মাহবুব, নিজাম উদ্দিন এবং ক্রীড়া পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মুনীর হোসেন, গেন্ডারিয়া থানা বিএনপি নেতা বাবলু, বাসেদ, পল্টন থানা যুবদলের সাবেক সভাপতি নাছির, শাজাহানপুর থানা যুবদল নেতা নাছিম, মোঃ সেলিম, পল্টন থানা যুবদল নেতা মাসুদ হোসেন, খিলগাঁও ৩ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা বেলায়েত হোসেন, সবুজবাগ থানা বিএনপি নেতা লিটন খান, কামরুজ্জামান উৎপল, কলাবাগান বিএনপি নেতা নিজাম, মিজু, বিমানবন্দর থানা যুবদল নেতা বেলায়েত হোসেন ভূঁইয়া, মান্ডা ইউনিয়ন যুবদল নেতা নবী হোসেন, সুত্রাপুর থানা বিএনপি নেতা কাজী সালেহ উদ্দিন, যাত্রাবাড়ী থানা যুবদল নেতা আমির হোসেন, শ্যামপুর ইউনিয়ন যুবদল নেতা রহমত উল্লাহ ও তার ভাতিজা ফয়সাল, যুবদল নেতা মানিক দত্ত, মজিবুর রহমান আনুর ছোট ভাই মুনির ও যুবদল নেতা ভিপি হানিফের ছোট ভাইকে।

এছাড়া গতরাতে বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নানের ধানমন্ডীর বাসভবন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি’র সহ-সভাপতি ইউনুস মৃধা, নবী উল্লাহ নবী, সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, সাংগঠনিক সম্পাদক তানভীর আহমেদ রবিন, যুবদল ঢাকা মহানগর উত্তর এর সভাপতি এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তফা জামাল রিয়াদ, সহ- সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম রাহিমী, কদমতলী থানা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি সুমন আহমেদ, সুত্রাপুর থানা বিএনপি নেতা মজিবুর রহমান আনু, নুরুল ইসলাম সেন্টু, মান্ডা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা মোঃ আলমাস, কদমতলী ছাত্রদল নেতা রাকিব সরদার, যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য ভিপি হানিফসহ অসংখ্য নেতাকর্মীর বাসায় গতরাতে পুলিশ তল্লাশীর নামে ব্যাপক তান্ডব চালিয়েছে। এছাড়াও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম কফিল উদ্দিনকে বাসায় না পেয়ে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক ভাংচুর ও লূটপাট চালিয়েছে পুলিশ।

এসব ন্যাক্কারজনক ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে গ্রেফতারকৃত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা ও কাল্পনিক মামলা প্রত্যাহার, তাদের নি:শর্ত মুক্তি এবং নেতাকর্মীদের বাসায় বাসায় পুলিশী তল্লাশীর নামে তান্ডব বন্ধের জোর দাবী জানান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।