(বিএনপি কমিউনিকেশন)   — খৃষ্টীয় নববর্ষ উপলক্ষে বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া রোববার, ডিসেম্বর ৩১, সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো বাণীতে বলেছেন, গণবিরোধী শক্তি জনগণের সকল অধিকারকে বন্দী করে রেখেছে। এমতাবস্থায় সকল গণতান্ত্রিক শক্তির মিলিত সংগ্রামে বহুদলীয় গণতন্ত্রকে পূণ:রুদ্ধার করতে হবে।

বিএনপি চেয়ারপার্সন প্রদত্ত বাণীর পূর্ণপাঠ নিচে দেয়া হলো –

বাণী

“খৃষ্টীয় নববর্ষ উপলক্ষে আমি দেশবাসী এবং বিশ্ববাসী সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। কামনা করি সকলের অব্যাহত সুখ, স্বাচ্ছন্দ, শান্তি ও সমৃদ্ধি। শুভ নববর্ষ।

১লা জানুয়ারী প্রতিবছর নতুন বার্তা নিয়ে আমাদের দ্বারে উপস্থিত হয়। পুরনো বছরের ব্যর্থতা, গ্লানি, হতাশাকে ঝেড়ে ফেলে নবউদ্যমে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা যোগায় নববর্ষ। পাশাপাশি অতীতের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে সুন্দর ভবিষ্যত বিনির্মাণে তৎপর হতে পারলে নতুন বছরটি হয়ে উঠতে পারে সাফল্যময়।

গেল বছরটি এখন আমাদের মনে স্মৃতি হয়ে থাকবে। গত বৎসরের বেশকিছু তিক্ত অভিজ্ঞতা, স্বজন হারানোর বেদনা এবং অধিকার হারানোর যন্ত্রণা আগামী বৎসরে আমাদের একদিকে যমন বেদনার্ত করবে আবার অন্যদিকে নুতন উদ্যোমে অধিকার ফিরে পেতে তাগিদ সৃষ্টি করবে। বাংলাদেশসহ বিশ্বময় সংঘাত আর অশান্তির ঘটনা প্রবাহে নতুন বছরটিকে গণতন্ত্র, শান্তি ও অগ্রগতির বছরে পরিণত করতে আমাদের সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশে অজস্র রক্তঋণে অর্জিত গণতন্ত্র অপহৃত হয়েছে। গণবিরোধী শক্তি জনগণের সকল অধিকারকে বন্দী করে রেখেছে। এমতাবস্থায় সকল গণতান্ত্রিক শক্তির মিলিত সংগ্রামে বহুদলীয় গণতন্ত্রকে পূণ:রুদ্ধার করতে হবে।

নতুন বছরটি সবার জীবনে বয়ে আনুক বিজয়, অনাবিল সুখ ও শান্তি, বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে প্রবাহিত হোক শান্তির অমিয় ধারা, দূর হয়ে যাক সব অন্যায়-উৎপীড়ণ, নির্যাতন। বন্ধ হউক হত্যা, গুম, খুন, যুদ্ধ বিগ্রহ ও অমানবিকতাসহ সকল ধরণের দমনমুলক নৃশংসতা-নববর্ষের শুরুতে আমি এ কামনা করছি। হৃত গণতন্ত্র ও ভোটের অধিকার ফিরে পাওয়ার জন্য বাংলাদেশের সংগ্রামী মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহবান জানাই।

আল্লাহ হাফেজ, বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।”