(বিএনপি কমিউনিকেশন) —  শান্তিপূর্ণভাবে যেকোনো বিপদ মোকাবিলায় সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। একই সঙ্গে তিনি বলেন, বিএনপির কোনো ভয় নেই। বিএনপির সঙ্গে প্রশাসন আছে, পুলিশ আছে, সশস্ত্র বাহিনী আছে। এ দেশের জনগণ আছে। দেশের বাইরে যারা আছেন, তারা আছেন। কাজেই বিএনপির কোনো ভয় নেই, ভয়টা আওয়ামী লীগের। তিনি বলেন, আসুন আমরা সবাই মিলে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা, জনগণের জান-মাল রক্ষায় জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলি। দেশ রক্ষায়, গুম খুন নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ-প্রতিরোধ গড়ে তুলি।

আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দাবি করে তিনি ৬ শর্ত জুড়ে দেন। তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে পার্লামেন্ট ভেঙে দিতে হবে, জনগণ যাতে নির্ভয়ে ভোট দিতে পারে সেজন্যে সেনা মোতায়েন করতে হবে, ইভিএম-ডিভিএমের ব্যবহার চলবে না।

শনিবার, ফেব্রুয়ারি ৩, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সভায় উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি এসব আহবান জানান। রাজধানীর খিলক্ষেতে পাঁচতারা হোটেল ‘লা  মেরিডিয়ান’-এর গ্র্যান্ড বলরুমে সকাল ১১টায় দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। নানা গ্রেফতার ও হয়রানির মধ্যে সকাল থেকে নেতৃবৃন্দ অনুষ্ঠান স্থলে আসতে শুরু করেন। নির্বাহী কমিটির ৫০২ সদস্য ছাড়াও, স্থায়ী কমিটির সদস্য, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা, ৭৮ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি ও অঙ্গ এবং সহযোগী সংগঠনগুলোর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা সভায় যোগ দেন।

প্রথম পর্ব ছিলো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। দ্বিতীয় পর্ব কর্ম অধিবেশন। পবিত্র কোরআন তেলোয়াতের মাধ্যমে উদ্বোধনী পর্বে শুরুতে শোক প্রস্তাব উত্থাপন করেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন। এর পর ১১টা ৩৮ মিনিটে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ধারণকৃত একটি ভিডিও বার্তা প্রচার করা হয়। বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সভায় মরহুম নেতাদের পাশাপাশি শিক্ষাবিদ-শিল্পী-সাহিত্যিকসহ বিশিষ্টজনদের স্মরণ করে দেয়া শোক প্রস্তাবটি গৃহীত হয়। এরপর দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রিপোর্ট পেশ করেন। জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সংখ্যা ৫০২ জন। বৈঠকে শুরু হলে উপস্থিত সদস্য সংখ্যা হয়েছে পাঁচ শতাধিক।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অনুষ্ঠানস্থলে আসার চেষ্টা করে ব্যাপক সাদা পোশাকে পুলিশের উপস্থিতির কারণে ফিরে যান বলে দলের কয়েকজন নেতা জানান। নির্বাহী কমিটির সদস্যদের বাইরে এই বৈঠকে দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। ২০১৬ সালের ১৯ মার্চ দলের ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলের পর ৫০২ সদস্যের জাতীয় নির্বাহী কমিটি ঘোষণা করেন বেগম খালেদা জিয়া। ৬ষ্ঠ কাউন্সেলের পর এটাই বিএনপির নির্বাহী কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হলো।

নির্বাহী কমিটির সভার মূল মঞ্চে সভাপতি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সাথে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, লে. জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান, মির্জা আব্বাস, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বসেন। জাতীয় নির্বাহী কমিটির সভা পরিচালনা করেন দলের প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।

সোয়া এক ঘন্টার বক্তৃতায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া দেশের বর্তমান পরিস্থিতি, দলের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার, মামলা দ্রব্যমূল, শিক্ষা ব্যবস্থা, প্রশাসন দলীয়করণ, আওয়ামী লীগের দুর্নীতি, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের কথা ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা প্রভৃতি বিষয় তুলে ধরেন।

বেগম খালেদা জিয়া বলেন, আমি শুধু বলতে চাই, আমি যেখানেই থাকি না কেন আমি আপনাদের সঙ্গে আছি, আমি আপনাদের সাথে থাকবো ইনশাল্লাহ। আসুন- বিপদ আসলে সবাই একসাথে মোকাবিলা করবো, সুদিন আসলেও আমরা সবাই এক সাথে দেশের জন্য কাজ করবো। সকলকে আমাদের সাহস সঞ্চয় করে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে হবে, প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। নিজের দৃঢ় অবস্থানের কথা ব্যক্ত করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাকে কেউ ভয়ভীতি, লোভ দেখিয়ে কিছু করতে পারবে না। অতীতেও পারেনি, এখনো পারবে না। আমি দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে আছি, আমি দেশের মানুষের সঙ্গে আছি, দেশের মানুষের সঙ্গে থাকবো। আজকে এই নির্বাহী কমিটির সভা থেকে আামি সবাইকে বলব, সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকবেন। আপনাদের বিরুদ্ধে বহু সন্ত্রাস হবে, ষড়যন্ত্র হবে, নানাভাবে হয়রানি করার চেষ্টা করা হবে। আমরা কেউ ভয়ে ভীত হবো না। গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে ‘শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি’ দেয়ার ইংগিত দিয়ে সকলকে প্রস্তুতি নেবার আহবানও রাখেন বিএনপি প্রধান। আসুন, সবাই এই দেশটাকে রক্ষা করি, গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনি।

বেগম খালেদা জিয়া বলেন, অবৈধ সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ হবে আমাদের শান্তিপূর্ণ, নিয়মতান্ত্রিক ও গণতান্ত্রিক। সেই শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক কর্মসূচি যে হবে সেই কর্মসূচিতে আমি জনগণকেও আহবান করবো। আসুন দেশের জনগণ, বিএনপি ও ২০ দল সকলে মিলে এদেশটা রক্ষা করি, গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনি। জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা করি। একই সঙ্গে অন্যান্য রাজনৈতিক দলকেও জাতীয় ঐক্যে শরিক হবার আহবান জানান তিনি।

পাশপাশি দলের সিদ্ধান্ত অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, যারা বেঈমানি করবে, যারা এদিক-ওদিক, এক পা এদিক অন্য পা অন্যদিকে রাখবে তাদের চিহ্নিত করা হবে। এদের মূল্যায়নের জায়গা থাকবে না। এদের তারাও (সরকার) নেবে না, আমরাও নেবো না। আমরা আগে একবার ক্ষমা করেছি, ক্ষমা বার বার হয় না। আমি খোঁজ রেখেছি যারা অতীতে আন্দোলন করেছে, দলের জন্য কাজ করেছে, দলের সাথে বেঈমানি করেনি তাদেরকে ভবিষ্যতে ভালো জায়গা দেয়া হবে যদি বিএনপি অংশগ্রহণ নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠন করে তাদেরকেও মূল্যায়ন করা হবে।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, সেবার কেউ ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে যায়নি। পুলিশ আর কুকুর ভোটকেন্দ্রে গিয়েছে। এখনকার পুলিশ চায় সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা বজায় থাকুক, গণতন্ত্র ও আইনের শাসন থাকুক, মৌলিক ও মানবাধিকার ঠিক থাকুক। তারা এদেশের জনগণকে রক্ষা করতে চায়। কিন্তু পুলিশকে এমনভাবে নির্দেশ দেয়া হয় তাদেরকেও ভয়ভীতি দেখানো হয় যেটা না করলে তার পরিণতি কি হতে পারে। সেজন্য পুলিশকে বাধ্য করে অন্যায়ভাবে দলীয় কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।  

বেগম খালেদা জিয়া বলেন, সরকার প্রশাসনকে দলীয় নেতাকর্মীদের মতো ব্যবহার করছে। তারা মনে করে, প্রশাসনকে ব্যবহার করে নির্বাচনি বৈতরণি পার হওয়া যায়। কিন্তু প্রশাসন যদি একটু সুযোগ পায়, তাহলে তারা নিরপেক্ষ নির্বাচন করবে। কেননা তারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে। তিনি আরও বলেন, পুলিশকে বাধ্য করা হচ্ছে অন্যায় ও দলীয় কাজ করতে।

ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, গুম, খুনের বিরুদ্ধে দেশের জনগণ জেগে উঠবে, ২০ দল জেগে উঠবে। সকল রাজনৈতিক দলকে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার আহ্বান জানাই। আজ দেশের এই অবস্থায় জাতীয় ঐক্য অনেক বেশি প্রয়োজন। আমরা কে কী পেলাম, সেটা বড় কথা নয়। আমাদের পাওয়া ওটাই হবে, যদি জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলে দেশটাকে রক্ষা করতে পারি, তবে সেটাই হবে সবচেয়ে বড় পাওয়া।

তিনি আরও বলেন, ইনশাআল্লাহ দেশ জাগবে, জাতীয় ঐক্য গড়ে উঠবে। সকলেই আমরা দেশ গড়ে তুলব। দেশ গড়ার জন্য অনেক লোকের প্রয়োজন হবে। সেখানে আজ যারা জুলুম-অত্যাচার করছে, তাদের সবাইকে মাফ করে দিয়েছি। আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতি করি না, তাদেরও সঙ্গে নিতে আমরা কোনো দ্বিধা করব না।

বিগত ওয়ান-ইলেভেনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আমি আপনাদের বলেছি, আমি বিদেশে না গেলে আমার দুই ছেলেকে নিয়ে যাবে বলে ভয় দেখিয়েছে। তাদের নির্মম নির্যাতন করেছে। একজন তো অত্যাচারের যন্ত্রণা কাটিয়ে উঠতে পারেনি। সে আর ফিরে আসলো না। তারেক রহমান এখনও অসুস্থ। এখনও তাকে চিকিৎসা নিতে হয়। কাজেই আমি খবর রেখেছি। আপনারা হয়তো মনে করছেন, আমি ভেতরে গেলে খবর পাই না। আমি খবর রেখেছি। আমরা সেভাবেই কাজ করেছি।

বেগম খালেদা জিয়া নেতা-কর্মীদের বলেন, লোভ-লালসা, ভয়-ভীতির ঊর্ধ্বে থাকবেন। এক-এগারোর সরকার আমাদের ভাঙতে পারেনি। এরাও পারবে না। এক-এগারোর ফর্মুলা অনুযায়ী সরকার বিএনপিকে মাইনাস করে আবারও একতরফা ভোটারবিহীন নির্বাচন করতে চায়। এটা তাদের করতে দেয়া হবে না। সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকবেন। বহু সংকট আসবে, ষড়যন্ত্র হবে এবং নানা রকমভাবে ভয়ভীতি দেখাবার চেষ্টা করবে, কিন্তু আমরা ভয়ে ভীত নই।

দেশে ক্রান্তিকাল চলছে বলে অভিযোগ করে বেগম খালদো জিয়া বলেন, দেশে ক্রান্তিকাল চলছে। আমরা এখানে সভা করতে চাইনি। ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট, ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, সোহরাওয়ার্দী ছিল, কিন্তু কেন সভা করতে দেয়া হলো না। বিএনপি সবচেয়ে বড় দল। তারপরও বলবেন দেশে গণতন্ত্র আছে?

তিনি আরও বলেন, ডিজিটাল আইনের নামে নতুন কালাকানুন করা হচ্ছে। সাংবাদিকেরা সত্য কথা বলেন। সেই কথাগুলো যখন মানুষ শোনে, তখন জনগণের অধিকার হরণ করতে নতুন আইন করা হচ্ছে।

সঠিক রায়ের সুযোগ নেই বলে দাবি করে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, সর্বোচ্চ আদালত বলছেন নিম্ন আদালত সরকারের কবজায়। পত্রিকায় যা দেখছি, তাতে বোঝা যাচ্ছে, সঠিক রায় দেয়ার সুযোগ নেই। সঠিক রায় দিলে কী পরিণতি হয়, তা তো দেখেছেন। তিনি আরও বলেন, তারেক রহমানের রায় দেয়ার পর বিচারককে দেশ ছাড়তে হয়েছে। অপরাধ নেই। সেখানে কীসের বিচার হবে। কিন্তু তারা জোর করে বিচার করতে চায়। বেগম খালেদা জিয়ার বক্তব্যের সময় মিলনায়তনে উপস্থিত নির্বাহী কমিটির সদস্যরা খালেদা জিয়ার নামে স্লোগান দেন। নেতারা স্লোগান বলেন, ‘আমার নেত্রী আমার মা, বন্দি হতে দেব না।’ ‘আমার নেত্রী আমার মা, জেলে যেতে দেব না।’

আওয়ামী লীগের নির্বাচনি প্রচারের সমালোচনা করেন বেগম খালেদা জিয়া  বলেন, আওয়ামী লীগ বলছে নির্বাচন হবে ডিসেম্বরে। ডিসেম্বরে নির্বাচন হলে এত আগে প্রচারের কারণ কী? তিনি বলেন, নৌকা এমন ডোবা ডুবছে যে, তোলার জন্য এত আগে ভোট চাইতে হচ্ছে? হাত তুলে ওয়াদা করাতে হচ্ছে।

একাদশ নির্বাচন সম্পর্কে বেগম খালেদা জিয়া বলেন, আমরা বলেছি যে, জাতীয় নির্বাচন হতে হবে নির্দলীয় সরকারের অধীনে। জনগণ যাতে ভোট কেন্দ্রে আসতে পারে সেরকম পরিবেশ তৈরি করতে হবে। সকল দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। নির্বাচনের আগে সংসদ ভেঙে দিতে হবে। এই সংসদ রেখে নির্বাচন হবে না। ভোটে সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে হবে। তারা মাঠে থাকলে জনগণ নির্ভয়ে ভোট দিতে পারবে। আমি নির্বাহী কমিটির এই সভা থেকে স্পষ্টভাষায় বলে দিতে চাই, ইভিএম চলবে না। নির্বাহী কমিটির সদস্যদের এ ব্যাপারে মতামত জানতে চাইলে তারা সমস্বরে ‘হ্যাঁ’ সূচক সমর্থন জানায়।

প্রতিহিংসার রাজনীতি বন্ধের আহবান জানিয়ে সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, হিংসা-বিদ্বেষ, হানাহানি বন্ধ করে দেশে একটি শান্তিপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করুন। আমরা কখনো প্রতিহিংসা করবো না। সরকার যেটা করছে প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধে সবার নামে মামলা দিয়েছে। কিন্তু এই দিনই শেষ নয়। এভাবে বেশি দিন যাওয়া যায় না। পৃথিবীর বহু দেশ দেখেছি। এতো শক্তিশালী নেতারা ছিলো- আজকে তারা কোথায়? দেশগুলোর নাম না বললেও চলবে। যাদের একচ্ছত্র ক্ষমতা ছিলো তাদের অনেকে কিন্তু দুনিয়ায় নেই। কাজেই এটা বুঝতে হবে ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়। ওপরে একজন আছেন, আল্লাহ তায়ালা- তিনিই বিচার করেন।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায়ের বিষয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেন, অপরাধই নেই, তাহলে বিচারটা করবে কিসের? তারা গায়ের জোরে ক্ষমতায় আসতে চায়। সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহাকে অস্ত্রের মুখে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে উল্লেখ করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিচারকরা এখন স্বাধীনভাবে রায় দিতে পারছেন না। ক্ষমতাসীন দল সংবিধানকে নিজেদের মতো করে সংশোধন করে নিয়েছে। সংবিধানে গণতন্ত্রের কিছু রাখা হয়নি। এখন ভোটের অধিকারও কেড়ে নিয়েছে। যারা নিজেদের গণতান্ত্রিক বলছেন, তারা অস্ত্রের মুখে জোর করে মিথ্যা তথ্য দিতে বাধ্য করছে। এদের আর মইন-ফখরুদ্দিনের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই।

তিনি বলেন, ডিজিটাল আইনের নামে নতুন কালাকানুন করা হচ্ছে। সাংবাদিকরা সত্য কথা বলে। সেই কথাগুলো যখন মানুষ শোনে তখন জনগণের অধিকার হরণ করতে নতুন আইন করা হচ্ছে।

প্রশ্নফাঁসের সমালোচনা করে তিনি বলেন, সর্বস্তরে এখন প্রশ্নপত্র ফাঁস হচ্ছে। কিন্তু  শিক্ষামন্ত্রী কিছুই করতে পারছেন না। তিনি সহজ-সরল মানুষ। তিনি সত্যি কথা বলে ফেলেছেন। তিনি সহনীয় পর্যায়ে ঘুষ খেতে বলেছেন। তিনি স্বীকার করেছেন, ‘আমি (শিক্ষমন্ত্রী) চোর মন্ত্রী এমপিরাও চোর।’

তিনি আরও বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংবিধান থেকে উঠিয়ে দেয়া হলো। কিন্তু এটা তো আমাদের দাবি ছিল না। আওয়ামী লীগ ও জামায়াতের দাবি ছিল। তারা ১৭৩ দিন হরতাল করেছিল। চট্টগ্রাম বন্দর অচল করে দিয়েছিল।

দুর্নীতি মামলায় দুদকের আইনজীবীর কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, আজকের পিপিকে মইন উদ্দিন-ফখরুদ্দিনের সময়েও দেখেছি। এখনো আছে। তাকে দোষ দেব না। হয়তো তাকেও বাধ্য হয়ে এমনভাবে কথা বলতে বা স্বর উচ্চারণ করতে হয় যাতে যারা শোনার তারা যেন বোঝে নির্দেশ কোথা থেকে আসছে। সে কারণে হয়তো নিজে একটু জোরোশোরে কথা বলে নিজের পজিশন ঠিক রাখে। এ সরকারের আমলে সংখ্যালঘু নির্যাতন বেশি হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সংখ্যালঘুরাও এখন তাদের সঙ্গে নেই। তারা এসে আমাদের বলছেন আওয়ামী লীগ তাদের ওপর নির্যাতন করছে।

জাতীয় নির্বাহী কমিটির সভায় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ।

নির্বাহী কমিটির সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান হারুন আল রশীদ, মেয়র অধ্যাপক এম এ মান্নান, আবদুল মান্নান, মেজর (অব.) হাফিজউদ্দিন আহমেদ, চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, বরকত উল্লাহ বুলু, মোহাম্মদ শাহজাহান, মীর মোহাম্মাদ নাসির, অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, মেজর জেনারেল (অব.) রুহুল আলম চৌধুরী, মেজর জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হাসান, ইনাম আহমেদ চৌধুরী, ব্যারিস্টার আমীনুল হক, অধ্যাপক ডা. এজেড এম জাহিদ হোসেন, শামসুজ্জামান দুদু, অ্যাডভোকেট আহমেদ আজম খান, অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন, অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী, গিয়াস কাদের চৌধুরী, শওকত মাহমুদ।

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট এ জে মোহাম্মদ আলী, উকিল আবদুস সাত্তার, লুৎফর রহমান খান আজাদ, সাবিহউদ্দিন আহমেদ, এ কে এম মোশাররফ হোসেন, মিজানুর রহমান মিনু, আবুল খায়ের ভুঁইয়া, গাজী মাজহারুল আনোয়ার, অ্যাডভোকট মাহবুবুর রহমান, ইঞ্জিনিয়র আ ন হ আখতার হোসেইন, জাফরুল হাসান, জয়নুল আবদিন ফারুক, জয়নাল আবেদীন ভি পি, মনিরুল হক চৌধুরী, মেজর অবসরপ্রাপ্ত কামরুল ইসলাম, হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, ফজলুল হক আসপিয়া, সৈয়দ মেহেদি আহমেদ রুমী, আবদুল হালিম, এম এ  কাইয়ুম, শহীদুল ইসলাম, জহুরুল ইসলাম, ইসমাইল জবিউল্লাহ, ক্যাপ্টেইন (অব.) সুজাউদ্দিন আহমেদ, আবদুর রশীদ, ব্যারিস্টার হায়দার আলী, ব্যারিস্টার জিয়াউর রহমান খান, অধ্যাপিকা তাজমিরী এস ইসলাম, অ্যাডভোকেট আব্দুর রেজ্জাক খান, গোলাম আকবর খন্দকার, কবির মুরাদ, অধ্যাপক শাহজাহান মিয়া, একরামুজ্জামান, অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান, হাবিবুর রহমান হাবিব, আতাউর রহমান ঢালী, নাজমুল হক নান্নু, তাহসিনা রুশদির লুনা, ড. ইনামুল হক চৌধুরী, ডা. সিরাজুল ইসলাম, অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়া, বিজন কান্তি সরকার, আবদুল হক, অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার, অ্যাডভোকেট আফজাল এইচ খান, অ্যাডভোকেট কামরুল মুনির, অ্যাডভোকেট বোরহান উদ্দিন, অধ্যাপক আবদুল বায়েছ ভুঁইয়া, আফরোজা খান রীতা, আবদুস সালাম, ময়নুল ইসলাম শান্ত, মো. শাহজাদা মিয়া, এসএস ফজলুল হক, কর্র্নেল (অব.) এম এ লতিফ, ডা. মো. আবদুল কুদ্দুস, সৈয়দ আলমগীর হোসেন, এমবিএ ও আমিনুল হক এফসিএ, ডাঃ ফরহাদ হালিম ডোনার উপস্থিত ছিলেন ।

যুগ্ম মহাসচিবদের মধ্যে ছিলেন –  মজিবুবর রহমান সারোয়ার, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, হারন-অর-রশিদ,  সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, মাহবুবুর রহমান শামীম, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, নজরুল ইসলাম মঞ্জু, আসাদুল হাবিব দুলু, ডা. সাখাওয়াত হোসেন জীবন, এমরান সালেহ প্রিন্স, বিলকিছ জাহান শিরিন, শামা ওবায়েদ।

এইছাড়া বিশেষ সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন, আন্তর্জাতিক সম্পাদক মাহিদুর রহমান, অ্যাডভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদার, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক কর্নেল (অব.) জয়নাল আবেদিন, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সানা উল্লাহ মিয়া, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক প্রফেসর ড. ওবাইদুল ইসলাম, সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক কামরুজ্জামান রতন, কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক জাকারিয়া সুমন, স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক অধ্যক্ষ সোহবার উদ্দিন, শিল্প বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম, বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক সালাহ উদ্দিন আহমেদ, অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ শ্যামল, ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক হাজী ইয়াসিন আলী, গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক আবু সাঈদ খান খোকন, জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্পাদক প্রফেসর ওয়াহিদুজ্জামান, ব্যাঙ্কিং ও রাজস্ব বিষয়ক সম্পাদক লায়ন হারুনুর রশিদ, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জল, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক নুরী আরা সাফা, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক রাশেদা বেগম হীরা, শ্রমিক বিষয়ক সম্পাদক নাজিম উদ্দিন, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক শামসুজ্জোহা খান, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভঁইয়া, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক বদরুজ্জামান খসরু, প্রান্তিক জনশক্তি উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল মালেক, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ ফাওয়াজ হোসেন শুভ, পরিবার কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ মহসিন, সমবায় বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ গউছ, পল্লী উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট গৌতম চক্রবর্তী, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক মোজাফফর হোসেন, গ্রাম সরকার বিষয়ক সম্পাদক আনিসুজ্জামান বাবু, প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুল ইসলাম হাবিব, স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক শিরিন সুলতানা, তাঁতী বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন ইসলাম খান, শিশু বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী, প্রবাসী কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার রিয়াজুল ইসলাম রিজু, মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান আসাদ, উপজাতি বিষয়ক সম্পাদক ম্যামা-চিং, মৎসজীবী বিষয়ক সম্পাদক লুৎফর রহমান কাজল, উপ-কোষাধ্যক্ষ মাহমুদ হাসান বাবুসহ সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, শহীদুল ইসলাম বাবুল, জালাল মজুমদার, হারুনুর রশিদ হারুন, শাহীন শওকত, জয়ন্ত কুমার কুন্ডু, শামসুজ্জামান, জাহাঙ্গীর হোসেন, দিলদার হোসেন সেলিম, কলিম উদ্দিন মিলন, আকন কুদ্দুসুর রহমান আকন, মাহাবুবুল হক নান্নু, মোস্তাক মিয়া, মোঃ আব্দুল আউয়াল খান, শরীফুল আলম, ওয়ারেছ আলী মামুন, মাশুকুর রহমান মাশুক, সেলিমুজ্জামান সেলিম, সহ-দফতর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু, মুনির হোসেন, বেলাল হোসেন, সহ-প্রচার সম্পাদক আমিরুল ইসলাম আলিম, আসাদুল করিম শাহীন, সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নজরুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন, অ্যাডভোকেট  ফাহিমা মুন্নী, ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা, বেবী নাজনিন, শাকিরুল ইসলাম শাকিল, সহ-মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ একরামুল হক, অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম, সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট ইকবাল হোসেন, সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন, সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদিন মেজবাহ, সহ-শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক হেলেন জেরিন খান, ফরিদা মনি শহিদুল্লাহ, সহ-অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক শাহাবুদ্দিন, সহ- সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক শাহাবুদ্দিন সাবু, কাজী আবুল বাশার, সহ- কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল ওয়াদুদ ভুঁইয়া, সহ-ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আরিফুল হক প্রিন্স, সহ-সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মনির খান, সহ-যুব বিষয়ক সম্পাদক মীর নেওয়াজ আলী, সহ-প্রান্তিক জনশক্তি বিষয়ক সম্পাদক অপর্ণা রায়, সহ-ব্যাঙ্কিং ও রাজস্ব বিষয়ক সম্পাদক খন্দকার মোক্তাদির, সহ- মহিলা বিষয়ক সম্পাদক আফরোজা আব্বাস, সুলতানা আহমেদ, সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক দীপেন দেওয়ান, জন গোমেজ, অমলেন্দু অপু, এটিএম আব্দুল বারী ড্যানী, সহ-শ্রমিক বিষয়ক সম্পাদক ফিরোজ, সহ-সমবায় বিষয়ক সম্পাদক নাজমুল হক সনি, সহ-শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক হাজী আমিনুল ইসলাম, সহ-স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক শামসুজ্জামান, সহ-ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন, সহ-ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক নেওয়াজ হালিমা আরলি, সহ-প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক শাকিল ওয়াহেদ সুমন, সহ-তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন নুসু, সহ-তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক কাদের গনি চৌধুরী, সহ- তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক অমিরুজ্জামান খান শিমুল, সহ-গ্রাম সরকার বিষয়ক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম শিশির, সহ-গ্রাম সরকার বিষয়ক সম্পাদক আমজাদ হোসেন, সহ-স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক শাম্মী আক্তার, সহ- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, সহ-প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক প্রফেসর ডঃ মোর্শেদ হাসান খান, সহ-প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার বদরুজ্জামান বাদল, সহ-প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক রেহেনা আক্তার রানু, সহ-স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক নিলুফার মনি, সহ-তাঁতী বিষয়ক সম্পাদক রাবেয়া সিরাজ, সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, ডাঃ রফিকুল ইসলাম, সহ-নার্সেস ও স্বাস্থ্য সহকারী বিষয়ক সম্পাদক মিসেস জাহানার বেগম, সহ-পরিবার কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ রফিকুল কবির লাবু, ডাঃ দেওয়ান সালাউদ্দিন (বাবু), সহ-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল, সহ-তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিঃ এস এম গালিব, সহ-তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিঃ খালেদ হোসেন চৌধুরী ফাহিম, সহ-মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আশিফা আশরাফি পাপিয়া, সহ-ক্ষুদ্র ঋণ বিষয়ক সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক, সহ-উপজাতি বিষয়ক সম্পাদক কর্র্নেল (অবঃ) মনিষ দেওয়ান, নির্বাহী কমিটির সদস্য মোজাহার হোসেন, জেডএম মর্তুজা চৌধুরী তুলা, রেজওয়ানুল হক, আখতারুজ্জামান, মিসেস রেজিনা ইসলাম, মিসেস বিলকিস ইসলাম, নুর মোহাম্মদ মন্ডল, মিসেস সাঈদা রহমান জোৎস্না, তাসভিরুল ইসলাম, সাইফুর রহমান রানা, মিসেস রওশন আরা ফরিদ, ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোস্তফা, সাইফুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম, মাহবুবুর রহমান হারিছ, মিসেস লাভলী রহমান, আলী আজগর হেনা, আবদুল মান্নান, শামসুল আলম প্রামাণিক, রফিকুল ইসলাম দুলাল, মিসেস কাজী হেনা, আবু সাঈদ চাঁদ, প্রফেসর কাজী গোলাম মোর্শেদ, আকবর আলী, কামরুদ্দিন ইয়াহিয়া খান মজলিশ, মেজর (অবঃ) মনজুর কাদের, মেজর (অবঃ) হানিফ, সেলিম রেজা হাবিব, সিরাজ সরদার, হাবিবুর রহমান তোতা, এনআই খান, ফকির মাহবুব আনাম স্বপন, লুৎফুল মতিন, অ্যাডভোকেট খালেদা পান্না, অ্যাডভোকেট খন্দকার আহসান হাবিব, সাঈদ সোহরাব, সিরাজুল হক, রশিদুজ্জামান মিল্লাত, সুলতানা মাহমুদ বাবু, শাহিদা আখতার রিতা, মাহমুদুল হক রুবেল, খুররাম খান চৌধুরী, শাহ শহীদ সরওয়ার, ইঞ্জিনিয়ার মো. শামসুদ্দিন, মিসেস নূরজাহান ইয়াসমিন, ইঞ্জিনিয়র ইকবাল হোসেন, ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন, রফিকুল ইসলাম হিলালী, অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম মিয়া, মিসেস লায়লা বেগম, অ্যাডভোকেট খন্দকার আব্দুল হামিদ, বাবুল আহমেদ, মিসেস রহিমা সিকদার, আহমেদ ইকবাল হাসান, ইসমাঈল হোসেন বেঙ্গল, মুন্সী বজলুল বাসিত আঞ্জু, মকবুল হোসেন, জসিমুদ্দিন মাহমুদ, মিসেস লিটা বশির, মিসেস মেহেরুন্নেছা হক, বেগম রাজিয়া আলিম, এমএ মজিদ,  খুরশিদ আলী মোল্লা, আলহাজ্ব তমিজ উদ্দিন, মেজর (অবঃ) মিজানুর রহমান, খন্দকার আবু আশফাক, মিসেস শাহিনা খান, হাসান উদ্দিন সরকার, কাজী সাঈদুল আলম বাবুল, মজিবুর রহমান, মিসেস খালেদা ইয়াসমিন, ফেরদৌস আহমেদ খোকন, প্রফেসর রেজাউল করিম, কাজী মনিরুজ্জামান মনির, শাহ আলম, অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম, নাসিরুদ্দিন সাবু, শাহ মো: আবু জাফর, শেখ আলী আশরাফ, আবুল হোসেন, মিসেস ইয়াসমিন আরা হক, সৈয়দ মোদাররেস আলী ইসা, সরওয়ার আজম খান, কাজী হুমায়ুন কবির, জামাল শরীফ হিরু, শফিকুর রহমান কিরণ, কাজী আনোয়ার হোসাইন, আব্দুল খালেক, তকদির হোসেন মো: জসিম, রফিক শিকদার, মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী, অ্যাডভোকেট ফেরদৌস ওয়াহিদ সৈয়দ জাহাঙ্গীর হোসেন, জি এম ফজলুল হক, ইঞ্জিনিয়র মমিনুল হক, শফিক আহমেদ ভূইয়া, আলহাজ্ব মো: জালাল উদ্দিন, মোতাহের হোসেন পাটোয়ারী, এস এম কামাল উদ্দিন চৌধুরী, মোস্তফা খান সফরী, আবুল কাসেম চৌধুরী, শাহানা আখতার সানু, জিয়াউদ্দিন মিস্টার, অ্যাডভোকেট মেসবাহউদ্দিন, গোলাম হায়দার বি এস সি, অ্যাডভোকেট আবদুর রহিম, কাজী মফিজুর রহমান, সাইমুম বেগম, ফোরকান-ই-আলম, শফিউল বারী বাবু, সরওয়ার জামাল নিজাম, গাজী শাহজাহান জুয়েল, মোস্তফা কামাল পাশা, এম শামসুল আলম, কামাল উদ্দিন চৌধুরী, বিচারপতি ফয়সল মাহমুদ ফায়েজি, আনোয়ার হোসেইন, মিসেস হাসিনা আহমেদ, আলমগীর মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ, সমিরন দেওয়ান, রবীন্দ্র লাল চাকমা, শা চিং প্রু জেরী, নাসিরুদ্দিন চৌধুরী, মিজানুর রহমান, শফি আহমেদ চৌধুরী, আরিফুল হক চৌধুরী, ডাঃ শাহরিয়ার হোসেন চৌধুরী, আবুল কাহের শামীম, মিসেস খালেদা রব্বানী, নাসের রহমান, এবাদুর রহমান চৌধুরী, হাজী মজিবুর রহমান চৌধুরী, শেখ সুজাত মিয়া, মাসুদ অরুন, অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম, রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা, ওহিদুল ইসলাম বিশ্বাস, শহীদুজ্জামান বেল্টু, আব্দুল ওয়াহাব, সাহানা রহমান রানী, কাজী মনিরুল হুদা, টি এস আইয়ুব, আবুল হোসেন আজাদ,  মতিয়ার রহমান ফরাজি, মিসেস চমন আরা, শেখ মজিরুর রহমান, অ্যাডভোকেট ওয়াহিদুজ্জামান দীপু, আলী আজগর লবি, মিসেস নার্গিস আলী, ডা. মামুন রহমান এফ সি এ, শরফুজ্জামান মুর্তজা, অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা, কাজী সেকান্দার আলী ডালিম, মনিরুজ্জামান মনি আলাউদ্দিন আহমেদ, ডাঃ শহিদুল ইসলাম, মতিয়ার রহমান তালুকদার, নজরুল ইসলাম মোল্লা, ইঞ্জিনিয়ার ফারুক আহমেদ তালুকদার, শাহ মো: নেছারুল হক, হাফিজ ইব্রাহিম, মোশারফ হোসেন মঙ্গু, আবুল হোসেইন খান, মেসবাহউদ্দিন, সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু, ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস ছোবহান, আজিজুল হক আক্কাস, মিসেস জেবা খান, হাজী নুরুজ্জামান, আলমগীর হোসাইন, রফিকুল ইসলাম মাহতাব, মোজাম্মেল হোসেন, আব্দুল হামিদ, মামুন হাসান, মীর রবিউল ইসলাম লাভলু, খান বরিউল ইসলাম রবি, মাহবুবুল ইসলাম মাহবুব, শামসুজ্জামান সুরুজ, কাজী রফিক, হাবিবুর রশিদ হাবিব, রাজিব আহসান, মামুনুর রশিদ, নুরুল ইসলাম নয়ন, হায়দার আলী লেলিন, বজলুল করিম চৌধুরী আবেদ, শেখ মো: শামীম, আব্দুল মতিন, ওমর ফারুক শাফিন, দুলাল হোসেন, আবু বকর সিদ্দিক, শামসুজ্জামান মেহেদী, ওবাইদুল হক নাছির, একরামুল হক বিপ্লব, রফিকুল ইললাম রাসেল, আবু সাঈদ, নাসিম আলী, সাইফুল ইসলাম পটু, অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম, আবু তালেব, আলমগীর হোসেন, আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, ড. খন্দকার মারুফ হোসেন, শেখ রবিউল ইসলাম, নাছিমা আক্তার কল্পনা, এস এম শফিউজ্জামান খোকন, মো: শুকরানা, ভিপি সাইফুল ইসলাম, জয়নাল আবেদিন চান, অ্যাডভোকেট সাবেরুল ইসলাম সাবু, মিসেস সাবেরা সুলতানা, ফিরোজা বুলবুল কলি, ফাহিম চৌধুরী অ্যাডভোকেট রিনা পারভিন, আয়েশা সিদ্দিকা মনি, নুর জাহান মাহবুব, ফরিদা ইয়াসমিন, অ্যাডভোকেট সিমকি ইসলাম খান, অ্যাডভোকেট আরিফা জেসমিন, অ্যাডভোকেট মুন্নি, রুখসানা খানম মীতু, সেলিন রউফ চৌধুরী, এলিজা জামান, মুক্তিযোদ্ধা মো: মাহফুজুল ইসলাম, সাবেরা আলাউদ্দিন হেনা, ব্যারিস্টার রাগিব রউফ চৌধুরী, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম সজল, ব্যারিস্টার ফকরুল ইসলাম, ব্যারিস্টার মীর হেলাল, অ্যাডভোকেট জিয়াউদ্দিন জিয়া, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী, অ্যাডভোকেট তৌহিদুর রহমান তৌহিদ, মোশাররফ হোসেন, আবুল হোসেন, কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন, রিজিয়া ইসলাম, হেলাল খান, সালাউদ্দিন ভূঁইয়া শিশির, মীর্জা ফয়সাল আমিন, নুর মোহাম্মদ খান, এস এ জিন্নাহ কবির, শেখ মজিবর রহমান ইকবাল, জহুরুল ইসলাম বাবু, এ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম, মোকলেসুর রহমান বাবুল, মোকাদ্দেস আলী, সাইদুর রহমান বাচ্চু, ফয়সাল আলীম, ওবায়দুর রহমান চন্দন, নাদিম মোস্তফা, শাহরিন ইসলাম তুহিন, অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান চৌধুরী, অ্যাডভোকেট রাজিব হাসান প্রধান, ফরহাদ হোসেন আজাদ, গিয়াস উদ্দিন, দিপু ভূইয়া, আব্দুল মান্নান, ডা. মাজহারুল আলম, মির্জা খোকন, রমেশ চন্দ্র, দেবাশীস রায় মধু, উদয় কুমার বড়–য়া, সুশীল বড়–য়া, নিপুন রায় চৌধুরী, তাবিথ আউয়াল, হুম্মাম কাদের চৌধুরী, ডা: শহিদ হাসান, আনোয়ার হোসেন বুলু, মিসেস রাবেয়া আলী, নাজিম উদ্দিন মাস্টার, মিসেস আওরঙ্গ,  আব্দুল মতিন, অ্যাডভোকেট এ বি এম জাকারিয়া, মশিউর রহমান বিপ্লব, সাইফুল ইসলাম মার্শাল। এছাড়াও বিভিন্ন জেলা বিএনপির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকরা উপস্থিত ছিলেন।

-তথ্যসূত্রঃ দৈনিক দিনকাল