(বিএনপি কমিউনিকেশন) — বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী রবিবার, ফেব্রুয়ারি ৪, সকালে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিং-এ বলেছেন, গত পাঁচ দিনে ঢাকাসহ সারদেশে প্রায় ৫০০’র অধিক নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী।আ’লীগের পক্ষে অবস্থান নেওয়ায় পুলিশের নিরপেক্ষতা এখন জনগণের কাছে হাস্যকর জায়গায় ঠেকেছে। পুলিশকে দলস্বার্থে ব্যবহার করতে গিয়ে সুকৌশলে পুলিশের মেরুদন্ড ভেঙ্গে দেয়া হচ্ছে। 

প্রেস  ব্রিফিং-এর পূর্ণপাঠ নিচে দেওয়া হলোঃ

সুপ্রিয় সাংবাদিক ভাই ও বোনেরা,
আস্সালামু আলাইকুম। সবাইকে জানাচ্ছি আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা।

বন্ধুরা,
সরকার দুরন্ত গতিতে তাদের আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে দিয়ে বেপরোয়া গ্রেফতার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। ঢাকাসহ সারাদেশে বিএনপি’র নেতাকর্মীদেরকে গোয়েন্দা পুলিশ আকস্মিক ঝাপটা মেরে তাদের আটক করছে। গতকাল লা মেরিডিয়ান হোটেলে বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির সভা চলাকালে ও সভা শেষে বেরিয়ে যাওয়ার পর রাস্তা থেকে প্রায় ৩৫ জনের অধিক নেতাকর্মীকে গোয়েন্দা পুলিশ আটক করেছে। গত শুক্রবার রাতে বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আমান উল্লাহ আমান, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক এমপি নাজিম উদ্দিন আলম এবং গতকাল সভা শেষে ফেরার সময় ফরিদপুর বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক খন্দকার মাশুকুর রহমান মাশুককে গ্রেফতার করে র‌্যাব ও গোয়েন্দা পুলিশ। গত পাঁচ দিনে ঢাকাসহ সারদেশে প্রায় ৫০০’র অধিক নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন-গণগ্রেফতার নয় সন্ত্রাসী ধরা হচ্ছে, পুলিশের প্রতি ভালবাসা বাড়ছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলতে চাই-দেশের বরেণ্য রাজনীতিবিদ, আইনজীবী, ছাত্র, যুবক ও মহিলাসহ বিএনপি ও বিরোধী দলের অসংখ্য  নেতাকর্মীদেরকে ধরার জন্য চিরুনী অভিযান, আটক ও বাসায় বাসায় হামলার পরও ভালবাসা বাড়ছে ? গুম, খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যার কথা না হয় বাদই দিলাম। হায় সেলুকাস ! সরকারের অঙ্গ সংগঠনের ভূমিকা পালন করেছে বলেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুলিশের প্রতি মানুষের ভালবাসার কথা বলছেন। বিরোধী দলের নেতৃবৃন্দ ও কর্মীদের ওপর নির্যাতন তো দৈনন্দিন ঘটনা, একটি অরাজনৈতিক ও দেশের স্বার্থের পক্ষে সংগঠন তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির মিছিলে পুলিশের উন্মত্ত হামলায় অধ্যাপক আনু মোহাম্মদের পা ভেঙ্গে দেয়াসহ তাদের অসংখ্য বরেণ্য ব্যক্তিকে মারাত্মক আহত করা হয়। সেটিও কেউ ভুলে যায়নি।

আমি আইন শৃঙ্খলা বাহিনীসহ পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই-স্বাধীনতা যুদ্ধে আপনাদের অবদান নি:সন্দেহে অবিস্মরণীয়। ২৫ মার্চের কালোরাত্রে পাক হানাদার বাহিনী প্রথমেই রাজারবাগ পুলিশ লাইন আক্রমণ করে। দেশমাতৃকা রক্ষায় আপনাদের আত্মদান মানুষ এখনও মনে রেখেছে। কিন্তু এই স্বাধীন দেশে বিরোধী দলের ওপর পুলিশের উন্মত্ত হামলা তো মানুষকে সেই পাক হানাদার বাহিনীর নৃশংসতার কথাই স্মরণ করিয়ে দেয়। দেশের জনগণ কেন আপনাদেরকে আওয়ামী অপশাসন ঠেকানোর লাঠিয়াল বলে ভাববে ? আওয়ামী লীগের পক্ষে অবস্থান নেওয়ায় পুলিশের নিরপেক্ষতা এখন জনগণের কাছে হাস্যকর জায়গায় ঠেকেছে। পুলিশকে দলস্বার্থে ব্যবহার করতে গিয়ে সুকৌশলে পুলিশের মেরুদন্ড ভেঙ্গে দেয়া হচ্ছে। এ বিষয়গুলি নিয়ে আপনাদের চিন্তা-ভাবনা করা দরকার। জনইচ্ছার বিরুদ্ধে দা্ড়াঁলে সুনাম নষ্টের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠান ধ্বসে যায়। আপনাদেরকে অনুরোধ করছি-ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরাচারের উপাসক হবেন না।

সাংবাদিক ভাই ও বোনেরা,
দেশ এখন ভয়ঙ্কর বিপদের মধ্যে। গণতন্ত্রহীনতাকে বলা হচ্ছে গণতন্ত্র, কন্ঠরুদ্ধ করাকে বলতে হবে বাকস্বাধীনতা, হয়রানী আর অবিচারকে বলতে হবে বিচার। চাঁদাবাজী ও আধিপত্যের লড়াই, প্রতিদিন অসংখ্য নারী ও শিশু নির্যাতন, সরকারী ব্যাংকগুলো লোপাটসহ বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি, একের পর এক কালাকানুন প্রনয়ন ও বাস্তবায়নের পরও বলতে হবে দেশে সুশাসন চলছে। চালের দাম ৭০ টাকা হলেও বলতে হবে চাল সস্তা। ধমক ও হুংকারসর্বস্ব রাজনীতির বিরোধীতা করলেই আওয়ামী বিচারের কাঠগড়ায় সেই হবে আসামী। কিন্তু এই নৈরাজ্যকর পরিস্থিতিতে জনগণ শাসকের প্রতি আনুগত্যের চেয়ে বন্ধন ছিন্ন করাকেই অনেক মহৎ কাজ বলে মনে করে।

সাংবাদিক বন্ধুরা,
সম্পূর্ণ নির্দোষ বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে জাল নথির ওপর ভিত্তি করে অসত্য মামলায় ধারাবাহিক হয়রানী ও হেনস্তার পর ৮ই ফেব্রুয়ারী’র সিদ্ধানের জন্য অপেক্ষা করছে জনগণ। এখানে সরকারের প্রতিশোধ স্পৃহার প্রতিফলন ঘটে নাকি ন্যায় বিচার হয় সেটিই এখন অবলোকন করার বিষয়। ন্যায় বিচার হলে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে কোন নেতিবাচক সিদ্ধান্ত হবে না।

বন্ধুরা
বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এদেশের স্বাধীনতার ঘোষক ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তার সহধর্মীনি। ৭১ সাল থেকে এখন পর্যন্ত স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের সাথে মিশে থাকা বেগম জিয়া দেশবাসীর নিকট আশা আকাঙ্খা, স্বপ্ন ও সাফল্যের প্রতীক। আপোষহীন ও সংগ্রামী বেগম জিয়াই বারবার হারানো গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে এনেছেন। তিনি তাঁর রাজনৈতিক জীবনে প্রতিশ্রুতি পালনে সবরকমের অস্পষ্টতা ও দ্ব্যর্থবোধকতা থেকে মুক্ত আপোষহীন একজন জাতীয় নেতা। জালিযাতি ও ভীরুতার বিরুদ্ধে দাঁড়ানো এক অকম্প, অবিচল ব্যক্তিত্ব। ষড়যন্ত্র করে নিপীড়ণ-নির্যাতনের বাতাবরণে তাঁকে আটকিয়ে রাখা হলেও জনগণের মুক্তির প্রশ্নে তিনি ছিলেন সমান নির্ভিক। নিজস্ব সিদ্ধান্ত ও আদর্শে তিনি ছিলেন দ্বিধা ও সঙ্কোচহীন। অশুভ রাজনৈতিক শক্তি তাঁকে কখনোই প্রভাবিত করতে সক্ষম হয়নি। ভয়ঙ্কর সরকারী রোষে পড়া সত্ত্বেও কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে তিনি পিছপা হননি। একদিকে বড় ছেলে বর্তমান শাসকদের দোসরদের দ্বারা নির্যাতিত হয়ে বিদেশে আর অন্যদিকে ছোট সন্তানের লাশ কোলে নিয়েও দেশ ও গণতন্ত্রের প্রতি ছিলেন নিষ্ঠাবান। সত্যনিষ্ঠ, দৃঢ়চেতা দেশ ও দশের প্রতি সহমর্মী বেগম খালেদা জিয়াকে তাঁর দেশ ও জনগণ থেকে কেউ আলাদা করতে পারবে না। সব অশুভ অভিপ্রায় ব্যর্থ হয়ে যাবে।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি
গ্রেফতার
০২.০২.২০১৮ ইং

      নাম    থানা    মন্তব্য

মোঃ সুমন    ঢাকা মহানগর দক্ষিণ    গ্রেফতার
অমল    হাজারীবাগ থানা    গ্রেফতার
মোঃ জনি    হাজারীবাগ থানা    গ্রেফতার
মোঃ সুমন    হাজারীবাগ থানা    গ্রেফতার
মোঃ আঃ মালেক    নিউ মার্কেট থানা    গ্রেফতার
মোঃ শামীম     নিউ মার্কেট থানা    গ্রেফতার
আহম্মদ হোসেন    যাত্রাবাড়ী থানা    গ্রেফতার
আব্দুর রহমান    যাত্রাবাড়ী থানা    গ্রেফতার
লিপটন    যাত্রাবাড়ী থানা    গ্রেফতার
আনিসুর রহমান     যাত্রাবাড়ী থানা    গ্রেফতার
মোঃ খোরশেদ     যাত্রাবাড়ী থানা    আহত
আব্দুস সালাম    পল্টন থানা    গ্রেফতার
মোক্তার হোসেন    মুগদা থানা    গ্রেফতার
রতন বাবু    মুগদা থানা    গ্রেফতার
মোঃ কফিল উদ্দিন    মুগদা থানা    গ্রেফতার
মোঃ খোরশেদ    ডেমরা থানা    গ্রেফতার
মোফাজ্জল     ডেমরা থানা    গ্রেফতার
জুয়েল     ডেমরা থানা    গ্রেফতার
বাবু    ডেমরা থানা    গ্রেফতার
মোঃ আবু তালেব    সবুজবাগ থানা    গ্রেফতার
মোঃ গুলজার হোসেন    সবুজবাগ থানা    গ্রেফতার
মোঃ জসিম উদ্দিন    সবুজবাগ থানা    গ্রেফতার
মোঃ হুমায়ুন কবির    সবুজবাগ থানা    গ্রেফতার
মোঃ তোফায়েল হোসেন    রমনা থানা    গ্রেফতার
মোঃ আব্দুর রহিম    কলাবাগান থানা    গ্রেফতার
হাজী  লিটন    ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি    গ্রেফতার

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি
গ্রেফতার ও বাসায় তল্লাশি
০৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

     নাম    থানা    মন্তব্য
আলমগীর হোসেন    দক্ষিণ বিএনপি য্গ্মু সম্পাদক    বাসায় তল্লাশী
মাখিরুল আলম    পল্টন থানা    গ্রেফতার
মোঃ রাসেল    পল্টন থানা    গ্রেফতার
মোঃ জুনু    শাহবাগ থানা    গ্রেফতার
মোঃ সজীব     কামরাঙ্গীরচর থানা    গ্রেফতার
হাজী মোঃ মহসীন    কামরাঙ্গীরচর থানা    গ্রেফতার
মোঃ জুম্মন আলী    কামরাঙ্গীরচর থানা    গ্রেফতার
হাবিব উন নবী খান সোহেল    ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি    বাসায় তল্লাশি
কাজী আবুল বাশার    ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি    বাসায় তল্লাশি
নবী উল্লাহ্ নবী    ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি    বাসায় তল্লাশি
মীর হোসেন মীরু    ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি    বাসায় তল্লাশি
সাব্বির হোসেন আরিফ    ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি    বাসায় তল্লাশি
আরিফুর রহমান আরিফ    ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি    বাসায় তল্লাশি
রফিকুল ইসলাম রাসেল    ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি    বাসায় তল্লাশি
তানভীর আহমেদ রবিন    ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি    বাসায় তল্লাশি
রবিউল আলম রবি    ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি    বাসায় তল্লাশি
আ.ন.ম. সাইফুল    ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি    বাসায় তল্লাশি
এড. ফারুক উল ইসলাম    ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি    বাসায় তল্লাশি

গ্রেফতার করা হয়েছে-

১.    আলহাজ্ব সালাউদ্দিন-সহ সভাপতি, সোনারগাঁও পৌর বিএনপি (নারায়ণগঞ্জ জেলাধীন)।
২.    ইঞ্জি: শামসুল আলম-সহ দফতর সম্পাদক, সোনারগাঁও পৌর বিএনপি।
৩.    লুৎফর রহমান মেম্বার-সোনারগাঁও পৌর বিএনপি।
৪.    নাসিম কমিশনার-সোনারগাঁও পৌর বিএনপি।
৫.    আলমগীর হোসেন-যুবদল নেতা, সোনারগাঁও পৌর ।
৬.    টিটু-ছাত্রদল নেতা, সোনারগাঁও পৌর।
৭.    মামুন-যুবদল নেতা, সোনারগাঁও পৌর।
৮.    আনিস-যুবদল নেতা, সোনারগাঁও পৌর।
৯.    সোহেল-সোনারগাঁও পৌর বিএনপি।
১০.     তারিকুল আলম তেনজিং-সহ সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি।
১১.    মোঃ বাবুল, দারুস সালাম থানা বিএনপি নেতা, ঢাকা মহানগর উত্তর।
১২.    মোঃ সাইদুল ইসলাম শাহিন-রামপুরা থানা বিএনপি, ঢাকা মহানগর উত্তর।
১৩.    ইজ্ঞি: জাকির হোসেন-ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি।
১৪.    মোঃ দীলীপ-ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি।
১৫.    মোঃ জীবন-ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি।
১৬.    মোঃ নাসির-ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি।
১৭.     হাজী মোঃ নুরুল ইসলাম-সাবেক কমিশনার ৯ নং ওয়ার্ড এবং যুবদল সভাপতি চান্দিনা পৌরসভা-কুমিল্লা উত্তর
১৮.     মোঃ কামাল হোসেন কমিশনার ৪ নং ওয়ার্ড, চান্দিনা পৌরসভা-কুমিল্লা উত্তর

    বগুড়া জেলাধীন শিবগঞ্জ উপজেলার ময়দান হাট্্রা ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি শাহ আলম সুজা এবং সৈয়দপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান তারা মিয়াকে গত ২৮ জানুয়ারী ২০১৮ তারিখ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত তাদের কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি।

    বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপি সভাপতি’র বাসায় গতকাল মধ্যরাতে ডিবি পুলিশ তল্লাশির নামে আসবাবপত্র ভাংচুর ও পরিবারের সদস্যদের হুমকি-ধামকি এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করে।

    আশুগঞ্জ উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান আবু আসিফ আহমেদ তার বাড়ীতে হামলা ও তছনছ করা হয়েছে।

বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোী সংগঠনের নেতাকর্মীদেরকে ব্যাপকহারে গ্রেফতার এবং নেতাকর্মীদের বাসায় বাসায় লাগাতার তল্লাশীর ঘটনায় আমি দলের পক্ষ থেকে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি এবং অবিলম্বে সরকারকে এধরণের অমানবিক আচরণ থেকে সরে আসার আহবান জানাচ্ছি। আইন শৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক গ্রেফতরকৃত শাহ আলম সুজা ও কামরুজ্জামান তারা মিয়াকে খুঁজে বের করে জনসমক্ষে হাজির করার জোর দাবি জানাচ্ছি। গ্রেফতারকৃত নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত বানোয়াট মামলা প্রত্যাহার ও তাদের নি:শর্ত মুক্তির জোর দাবি করছি।
ধন্যবাদ সবাইকে। আল্লাহ হাফেজ।