বেগম খালেদা জিয়াকে অন্যায় ও বেআইনীভাবে সাজা দেওয়া হয়েছে। আমরা ঢাকা বারের আইনজীবীগণ উনার মুক্তি দাবী করছি। বেগম জিয়ার মামলায় যুক্তিতর্ক শুনানীকালে উনার নিযুক্ত আইনজীবীগণ স্বাক্ষীর বরাত দিয়ে তুলে ধরেছেন যে, মামলায় স্বাক্ষী P/W-32নং নুর আহম্মেদ তার অনুসন্ধান রিপোর্টে উল্লেখ করেন যে, ডকুমেন্টস অনুযায়ী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে কোন তথ্য ও অভিযোগ প্রমাণ হয় নাই। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট একটি প্রাইভেট ট্রাস্ট এবং এই ট্রাস্টের সেটেলার এবং অন্য কোন ট্রাস্টের সদস্য অনিয়ম করলে ট্রাস্ট আইনের বিধান অনুযায়ী দন্ডবিধি ৪০৬ ধারায় ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। বেগম খালেদা জিয়া জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের কোন সদস্য নন। কুয়েতের আমীর সোনালী ব্যাংক রমনা কর্পোরেট শাখা, ঢাকার সৌদি ইউনাইটেড কর্মাশিয়াল ব্যাংকের মাধ্যমে বিগত ০৯/০৬/১৯৯১ইং তারিখে টাকা পাঠান। সাবেক পররাষ্ট্র মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান টাকা গত ১৩/১১/১৯৯৩ইং তারিখে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট বগুড়া গাবতলীতে ২,৩৩,৩৩,৫০০/- (দুই কোটি তেত্রিশ লক্ষ তেত্রিশ হাজার পাঁচশত) টাকা এবং জিয়া মেমোরিয়াল ট্রাস্ট, বাগেরহাট মোস্তাফিজুর রহমানের নিজ এলাকায় সমপরিমাণ টাকা প্রদান করেন। উক্ত বাগেরহাটে মোস্তাফিজুর রহমান মারা যাওয়ার পর তার পরিবারের কেউ রাজনীতি না করার কারণে মামলা হয় নাই। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে কথিত প্রধানমন্ত্রীর এতিম তহবিলে উক্ত টাকা ঢুকে নাই। জনাব তারেক রহমান, মরহুম আরাফাত রহমান কোকো জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ডীড যাহা গত ০৫/০৯/১৯৯৩ইং তারিখে ১ লক্ষ টাকা জমা দিয়ে ডীড রেজিষ্ট্রি করেন এবং উক্ত ডীডে দুই ভাইয়ের ঠিকানা ৬নং শহীদ মঈনুল রোড লেখা আছে। এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন যে, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট বগুড়ার গাবতলীতে অবস্থিত। এটি নাম সর্বস্ব নয় বা অস্তিত্ববিহীন ট্রাস্ট নয়। ইহা একটি রেজিষ্ট্রীকৃত ট্রাস্ট।

বগুড়ার গাবতলীর দাড়াইল মৌজায় জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের নামে ২.৭৯ একর সম্পত্তি ক্রয় করা হয়। অন্য দিকে গাবতলীতে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট সঠিকভাবে চালানোর এবং উন্নতির নিমিত্তে আশুলিয়াতে জমি ক্রয় করার জন্য আসামী শরফুদ্দিনের সাথে একটি চুক্তি হয়। এর মধ্যে ১/১১ সরকার আসার কারণে এবং তারেক রহমান জেলে যাওয়ায় ও পরে নির্যাতিত হয়ে বিদেশে চিকিৎসাধীন থাকায় এবং আসামী শরফুউদ্দিনের ছেলে ক্যানসার ও পরবর্তীতে মারা যাওয়ায় জমি রেজিষ্ট্রি হয় নাই। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মানি মোকদ্দমা দায়ের পূর্বক উক্ত বায়নার টাকা কোর্টের মাধ্যমে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট হিসাবে সমস্ত টাকা জমা করেন। বর্তমানে ৬ কোটি টাকার উপরে ট্রাস্টের নামে জমা আছে।

দুদক মামলা প্রমাণ করতে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে। দন্ডবিধির ৪০৯/১০৯ প্রমাণ হয় নাই। উক্ত মামলার দ্বিতীয় অনুসন্ধান কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ, P.W-1 এবং P/W-31 বাদী ও তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিচালক জেরায় বলেছেন যে, বেগম খালেদা জিয়া কোন টাকা আত্মসাৎ করে নাই এবং আত্মসাৎ হয় নাই। উক্ত ধারার মূল ব্যাখ্যাই সরকারী কর্মচারী, ব্যাংকার কর্তৃক অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ হইতে হইবে। কিন্তু বেগম খালেদা জিয়ার অপরাধ মূলক বিশ্বাস ভঙ্গ হয় নাই। বাদী দন্ডবিধির ৪০৯/১০৯ প্রমাণ করিতে পারে নাই। কিন্তু বিজ্ঞ আদালত তাহা অনুধাবন করতে পারেন নাই। বেগম জিয়ার কোন আত্মসাৎ নাই, ফলে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গও হয় নাই। কুয়েত এর আমীর টাকা প্রধানমন্ত্রীর সরকারী কোষাগারে ঢুকে নাই। সরকারের টাকা হলে তা সরাসরি সরকারী কোষাগারে অর্থাৎ বাংলাদেশ ব্যাংকে ঢুকে এবং বাংলাদেশ ব্যাংক না থাকলে অন্য কথা। রাজধানীতে বাংলাদেশ ব্যাংক অবস্থিত। উক্ত অর্থ সরকারি অর্থ ছিলনা, যেখানে অপরাধ নাই সেখানে অপরাধে বা দূষ্কর্মে সহায়তার প্রশ্ন আসে না। ফলে বাদী দন্ডবিধি ৪০৯ প্রমাণ করতে পারে নাই এবং ১০৯ ও প্রমাণ হয় নাই। তারপরও অন্যায় ও বেআইনীভাবে বেগম খালেদা জিয়াকে সাজা দেওয়া হয়েছে। যিনি মামলা দায়ের করেছেন তিনি নিজেই বলেছেন আত্মসাৎ হয় নাই। সেখানে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ শুধুমাত্র সাবেক প্রধানমন্ত্রী হওয়ার কারণে এবং বি.এন.পির চেয়ারপারসন হওয়ায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার সাজা দেওয়া হয়েছে।

বাদীপক্ষে জব্দকৃত আলামত যা কোর্টে প্রদর্শণ করেছেন তার মধ্যে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রেজিষ্ট্রার ও ফাইলের উপরে রাষ্ট্রপতি লেখা এবং ভিতরের পাতায় একটি আইটেম উপরোক্ত টাকা ছাড়া কোন অন্য আইটেম নেই। ভিতরে পাতায় বিভিন্ন জায়গায় ঘষা মাজা ও কাটাকাটি। উক্ত রেজিষ্ট্রার ও ফাইলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কোন কর্মকর্তা ও কর্মচারীর কোন সহি স্বাক্ষর নাই। বেগম খালেদা জিয়ার সহিস্বাক্ষর নাই। কোন কাগজপত্রে বেগম খালেদা জিয়া সহিস্বাক্ষর নাই। বাদীর দাখিলকৃত সোনালী ব্যাংকের কাগজপত্রে বেগম খালেদা জিয়া সহি নাই। P.W-1 এবং P.W-31 কে অন্যান্য সাক্ষী সমর্থন করে নাই। যেখানে P.W-1 এবং P.W-31 বলেছে বেগম জিয়া কোন টাকা আত্মসাৎ করেনি, সেখানে সাজা হয় কি করে ? বেআইনীভাবে দেওয়া সাজা আইনতঃ বাতিল যোগ্য। বাদী এবং I/O বেগম জিয়ার বিরুদ্ধে এবং অন্যান্য আসামীর বিরুদ্ধে অসৎ উদ্দেশ্যে ও ষড়যন্ত্রভাবে কিছু ফলস ডকুমেন্ট তৈরি করে ইতিমধ্যে তাহার বিরুদ্ধে ফৌজদারী কার্যবিধির অধীনে সংশ্লিষ্ট আদালতে অপরাধ আমলে নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পিটিশন দেওয়া হয়েছে। যেহেতু বাদীপক্ষ মামলা প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে সেইখানে বেগম জিয়া খালাস পাওয়ার কথা সেইখানে অন্যায়ভাবে সাজা দেওয়া হয়েছে। জেল কোডের বিধান অনুযায়ী বেগম খালেজা জিয়া বন্দীর শ্রেণীবিন্যাস অনুযায়ী মহিলা বন্দী সামাজিক মর্যাদায় ও ভাল চরিত্রের অধিকারীসহ অন্যান্য যোগ্যতা অনুযায়ী প্রথম শ্রেণীর ডিভিশন পাওয়ার হকদার। জেল কোডের ৬১৭ ধারা অনুযায়ী বেগম খালেদা জিয়া প্রথম শ্রেণীর ডিভিশন পাওয়ার হকদার। যেহেতু বেগম খালেদা জিয়া অসুস্থ, চলাফেরা করতে অসুবিধা হয় সেই কারণে জেল কোডের ৩৭ ধারা অনুযায়ী উক্ত ধারার সুবিধা পাওয়ার হকদার। Warrant of Precedence অনুযায়ী এর তালিকায় ১ নাম্বারে President of the Republic এবং ২ নাম্বারে Prime Minister লেখা আছে। কাজেই সেই কারণে Ex Prime Minister হিসেবে বেগম খালেদা জিয়া বন্দী হিসাবে সকল সুবিধা পাওয়ার হকদার। আমরা বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবী করছি।

বিবৃতিকারীদের মধ্যে সর্বজনাব মোঃ খোরশেদ আলম, মোঃ সানাউল্লাহ মিয়া, এম. মাসুদ আহমেদ তালুকদার, মোঃ বোরহান উদ্দিন, মোঃ মহসিন মিয়া, মোঃ আজিজুল ইসলাম খান বাচ্চু, মোঃ ইকবাল হোসেন, মোঃ খোরশেদ মিয়া-আলম, মোঃ মোসলেহ্ উদ্দিন (জসিম), মোঃ ওমর ফারুক (ফারুকী), মোঃ রুহুল আমিন, আফরোজা বেগম (শেলী), মোঃ শাহজাহান কবীর, এ.কে.এম. সোহরাব, আলহাজ্ব মল্লিক সফি উদ্দিন আহমেদ, মোঃ রেজাউল করিম (নিজাম), কাজী মোঃ আব্দুল বারিক, মোঃ এখলাসুর রহমান, মোঃ জহির রায়হান জসিম, মোঃ হারুন রশীদ খান, এ.বি.এম. ওয়ালিউর রহমান খান (ওয়ালী), ফকির আব্দুল মান্নান (২), এস.কে আব্দুল মালেক, সরদার আবদুর রহমান, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, এ.এইচ.এম.লুৎফুল কবীর, মোঃ এমদাদুল হক, মোঃ আবু ইউসুফ সরকার, মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান (হাফিজ), মোঃ সারোয়ার কায়ছার (রাহাত), মোহাম্মদ জালাল আহাম্মদ, দোলন, তাহেরুল ইসলাম তৌহিদ, মোহাম্মদ আরিফুর রহমান রঞ্জু, সৈয়দ হুমায়ুন, মোঃ এমরানুল হাসান মজুমদার, এ.এফ.এম. গোলাম ফাত্তাহ্, মোঃ আবুল কালাম আজাদ, ইসমাইল ফকির, মোঃ আমিনুল ইসলাম, সুফিয়া আক্তার হেলেন, মাইন উদ্দীন আহম্মেদ সেলিম, লিপি আক্তার, মোঃ জামাল উদ্দিন খন্দকার, মোঃ শোয়াইব মিয়া (শোয়েব), আহাম্মদ উল্লাহ (আমান), মোঃ মাজেদুর রহমান (মামুন), মোঃ নিজামুল হক, মোঃ শামসুল হক, খাদিজা বেগম হেলেন, সৈয়দ শামীম আহসান হাবিব শামীম, জাহানারা বেগম, সাবিনা ইয়াসমীন চৌধুরী বীনা, মোঃ সাইফুর রশীদ সবুজ, শাহিন হক বিউটি, তাবাস্সুম রিফাত টুম্পা, সৈয়দা শাহীন আরা লাইলী, রাফিজা আলম (লাকী), আকলিমা আক্তার আলো, মোঃ আফানুর রহমান (রুবেল), আব্দুল খালেক মিলন, মোঃ এরশাদুল আলম (জর্জ), মোঃ খায়রুল আহসান (মিন্টু), মোহাম্মদ শহীদ গাজী, শেখ আলাউদ্দিন, মোঃ সফিকুল ইসলাম, মোঃ জহিরুল ইসলাম (কাইয়ুম), ফজলুর রহমান খান, আব্দুল খায়ের, আনোয়ার জাহিদ ভূইয়া, আরফান উদ্দিন খান, নূরুল ঈমান বাবুল, মোঃ খলিলুর রহমান, হারুন অর রশিদ ভূইয়া, আব্দুল লতিফ তালুকদার, আবদুর নূর ভূইয়া বাবলু, মোঃ আসলাম মিয়া, কালিমুর রহমান খান হিমু, আবেদ রেজা, শাহ ইলিয়াস রতন, আনিসুর রহমান, মাহফুজুর রহমান পাটোয়ারী, তাহমিনা আক্তার হাসেমী, সাখাওয়াত উল্লাহ খান আনু, এম. এম. ফারুক, আবুল কালাম খান, সৈয়দ জয়নাল আবেদীন মেজবাহ, জিয়াউদ্দিন জিয়া, আমীরুল ইসলাম আমীর, আবুল বাশার, কাজী সেলিম, নূরুজ্জামান তপন, দেলোয়ার হোসেন লেবু, ফরিদ হালদার, মোঃ তরিকুল ইসলাম, শরীফ উদ্দিন মামুন, জাকির হোসেন ভূইয়া, কাজেম আলী দুলাল, ইকবাল হোসেন, জহিরুল হক জহির, আতিকুর রহমান, আক্তার হোসেন সোহেল, জুনায়েদ হোসেন সোয়েব, মোহাম্মদ উল্লাহ জুয়েল, আবদুর রাজ্জাক, হাতেমূল আলম, মোঃ রফিকুল ইসলাম (চাঁদপুর), ফরিদুল ইসলাম ফরিদ, মহিউদ্দিন চৌধুরী, আবদুর রশিদ মোল্লা, আবুল কালাম আজাদ, মাসুদুর রহমান বাদল, নূর মোহাম্মদ, তাজ ইসলাম তাজ, গাজী তৌহিদুল ইসলাম তৌহিদ, ওয়ালিউল ইসলাম তুষার, হাদিউল ইসলাম হাদি, মোঃ রমজান আলী, সরোয়ার হোসেন, শওকত উল্যাহ চৌধুরী, মোঃ রমজান খান, মোঃ মহসিন ভূইয়া, রুহুল আমীন শেলী, রেজাউল করিম সরকার, মোয়াজ্জেম, ওয়াহিদুজ্জামান টিটু, শাহাদাৎ হোসেন আদিল, সিমকী ইমাম খান, জাকিয়া আনার কলি, মাঈন উদ্দীন মিয়া, আরিফ নেওয়াজ, মোয়াজ্জেম হোসেন ডলার, শহিদুল ইসলাম, মোঃ ইলতুত মিস, আবু তালেব সিকদার, আবসুদ সালাম দেওয়ান, সরকার নাসির উদ্দিন আহমেদ, এ.আর মিজানুর রহমান, মোঃ জিয়াউল হক (জিয়া), মোঃ নিহার হোসেন ফারুক, মোঃ মনিরুল ইসলাম আকাশ, নুরুজ্জামান, মোঃ নজরুল ইসলাম পাপ্পু, এ.এস.এম. শফিউল্লাহ শিবলী, মোঃ আমানুল করিম (লিটন), আব্দুল আল মামুন, মোঃ আজিজুল হক (দিদার), মোঃ আব্দুল হক খলিফা, মোহাম্মদ ছাকায়েত উল্লাহ্ ভূইয়া (ছোটন), মোহাম্মদ আলম খান, আনোয়ার উল্লাহ, মোহাম্মদ আবু ছায়েম, মোঃ এহসান লাবীব জেকব, এ.বি.এম. ইফতিখারুল হক, মোহাম্মদ খলিলুর রহমান (খলিল), কাজী মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান ডাবলু, মাক্সুদা ইয়াসমিন (লাভলী), এম.বি.এম. খায়রুল ইসলাম (লিটন), মোশাররফ হোসেন মোল্লা, নাছিমা আক্তার, শাহ্নাজ বেগম শিরীন, হাবিবা কাদের (মিলি), মাহ্বুব হাসান রানা, এইচ.এম. মাসুম, মোঃ আবু জাফর শেখ (মানিক), মোঃ সোহরাব হোসেন বিশ্বাস, মোঃ জুলফিকার আলী হায়দার (জীবন), মোঃ রাশেদুল হাসান সুমন, মোঃ মাইনুল ইসলাম সোহেল, সাইদুর রহমান মায়নুল, মিরাজ উদ্দীন সিকদার, আলাউদ্দিন খান, দেওয়ান মনির হোসেন, সাইফুল ইসলাম মিয়াজী, ইব্রাহিম খলিল, আমিনুল ইসলাম ফিরোজ, গোলাম মোস্তফা খান, সফিকুল ইসলাম সাবু, জাহিদুল ইসলাম হিরন, সাদ আলম সোহাগ, সামসুদ্দিন খান, মিজানুর রহমান শামীম, শাহাজাদি কহিনুর পাপড়ি, কে.এম. রেজাউল ফিরোজ রিন্টু, জেসমিন আক্তার, মোজাম্মেল হক হিমু, মিনা বেগম (মিনি), সাহজালাল, দেলোয়ার হোসেন ফেরদাউস, পান্না চৌধুরী, সেলিম খান, মোঃ নাসির, আয়শা আক্তার, মেহেদী হাসান বাদল, শাহীন হোসেন সহ ২৯২১ জন আইনজীবীর মধ্যে উপরোক্ত উল্লেখযোগ্য আইনজীবী।