(বিএনপি কমিউনিকেশন) —   বুধবার, ফেব্রুয়ারি ১৪, বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি জানিয়ে জাতীয় প্রেসকাবের সামনে গণঅনশন করেছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। সকাল ১০টা থেকে শুরু হওয়া অনশন কর্মসূচি বিকাল ৪টা পর্যন্ত হওয়ার কথা থাকলেও পুলিশ বাধার কারণে তিন ঘন্টা আগে দুপুর ১টায় তা শেষ হয়।

বুধবার দুপুর ১টায় অনশনের সমাপ্তি টেনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আমরা এই অনশন কর্মসূচি থেকে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে অবিলম্বে মুক্তি দেয়ার দাবি জানাচ্ছি এবং সব ধরনের নির্যাতনমূলক কর্মকান্ড থেকে বিরত থাকার আহবান জানাচ্ছি। তিনি বলেন, সরকার বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপিকে বাইরে রেখে আবার একটি পাতানো নির্বাচন করতে চাইছে। কিন্তু বেগম খালেদা জিয়াকে ছাড়া এ দেশে কোনো নির্বাচন হতে দেয়া হবে না। আমাদের অনশন কর্মসূচি ৪টা পর্যন্ত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কর্তৃপক্ষের অনুরোধে আমরা এটা ১টা পর্যন্ত করে দিয়েছি। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ নেতৃবৃন্দকে পানি পান করিয়ে অনশন ভঙ্গ করান।

সকাল ১০টা নাগাদ প্রেসকাবে অনশনে ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে কয়েক হাজার হাজার নেতাকর্মী যোগ দেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে উপেক্ষা করে বিএনপি নেতাকর্মীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, আইনজীবী ও কৃষিবিদসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতিতে প্রেসকাব এলাকা জনসমুদ্রে রূপ নেয়। তারা বেগম খালেদা জিয়াকে মা সম্বোধন করে নানা স্লোগান দিয়ে প্রেসক্লাব এলাকা মুখরিত করে তোলেন। এর মধ্যে তরুণ কর্মীদের মুখে মুখে ফিরছে একটি স্লোগান ‘বন্দি আছে আমার মা ঘরে ফিরে যাব না।’ এ সময় বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে ব্যানার হাতে বিভিন্ন সে­াগান দেন তারা। নেতাকর্মীরা ‘খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই দিতে হবে, দিতে হবে’, ‘জেলের তালা ভাঙব, খালেদা জিয়াকে আনব’ ইত্যাদি স্লোগানে প্রেসক্লাব এলাকা মুখর করে তোলেন। এ সময় নেতাকর্মীদের হাতে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার ছবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড দেখা যায়।

এদিকে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অনশন করছেন। বিকাল ৪টা পর্যন্ত অনশন পালন করেন তিনি। এরপর বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এসে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, সহ-দফতর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু, বেলাল আহমেদ, নির্বাহী কমিটির সদস্য আমিনুল ইসলামসহ কার্যালয়ের স্টাফদের অনশন ভাঙান।

জাতীয় প্রেসকাবের সামনে সকাল ১০টা থেকে কয়েক হাজার নেতাকর্মী ফুটপাতে মাদুরে বসে দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে প্রতীক অনশনে বসেন। এই অনশনে ব্যাপক সংখ্যক নেতাকর্মীর উপস্থিতি পুরো এলাকায় ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়। সড়কের কাছে দিয়ে খুব ধীরগতিতে যানবাহন চলে। : অনশনে আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আতাউর রহমান ঢালী, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক সালাহউদ্দিন আহমেদ, ঢাকা মহানগর উত্তরের সিনিয়র সহ-সভাপতি মুন্সি বজলুল বাসিত আঞ্জু, কাজী আবুল বাশার, মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাস, সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ, যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নীরব, সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোরতাজুল করীম বাদরু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু, শ্রমিক দলের আনোয়ার হোসেইন, ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুনুর রশীদ মামুন প্রমুখ।

তিন ঘন্টার অনশন কর্মসূচিতে একাত্মতা প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন ২০ দলীয় জোটের শরিক বিজেপির চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ, শরিক খেলাফত মজলিশের মাওলানা মুহাম্মদ ইসহাক, ইসলামী ঐক্যজোটের অ্যাডভোকেট এম এ রকীব, কল্যাণ পার্টির সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, এনপিপির চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, জাতীয় পার্টির মোস্তফা জামাল হায়দার, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাগপার সাধারণ সম্পাদক খন্দকার লুৎফর রহমান, জাতীয় দলের সৈয়দ এহসানুল হুদা, এলডিপির সাহাদাত হোসেন সেলিম, বাংলাদেশ ন্যাপের মহাসচিব গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাদা দলের আহবায়ক আখতার হোসেন খান।

এই অনশনে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, বরকতউল্লাহ বুলু, মোহাম্মদ শাহজাহান, অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, মেজর জেনারেল (অব) মাহমুদুল হাসান, ইনাম আহমেদ চৌধুরী, ব্যারিস্টার আমিনুল হক, আবদুল আউয়াল মিন্টু, অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা গাজী মাজহারুল আনোয়ার, জয়নুল আবদিন ফারুক, ব্যারিস্টার জিয়াউর রহমান খান, কবির মুরাদ, হাবিবুর রহমান হাবিব, আতাউর রহমান ঢালী, মো. শাহজাদা মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, সাখাওয়াত হোসেন জীবন, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, সমাজকল্যাণ সম্পাদক কামরুজ্জামান রতন, শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক ড. ওবায়দুল ইসলাম, মহিলাবিষয়ক সম্পাদক নূরী আরা সাফা, স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক  মীর সরফত আলী সপু, ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক আমিনুল হক, সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, আবদুল আউয়াল খান, হারুন-অর রশিদ, সহ-দফতরবিষয়ক সম্পাদক মুনির হোসেন, সহ-প্রচার সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলিম, শামীমুর রহমান শামীম, সহ-তথ্যবিষয়ক সম্পাদক কাদের গণি চৌধুরী, আমিরুজ্জামান শিমুল, সহ-জলবায়ুবিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, সহ-আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক বেবী নাজনীন, নির্বাহী কমিটির সদস্য আ ক ম মোজ্জামেল হক, সালাউদ্দিন ভূঁইয়া শিশির, আবু নাসের মুহাম্মাদ রহমাতুল্লাহ, খালেদা ইয়াসমিন, নিপুণ রায় চৌধুরী, কাজী রফিক, বজলুল করীম চৌধুরী আবেদ, অঙ্গসংগঠনের ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক  আহসানুল্লাহ হাসান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামীম পারভেজ, দফতর সম্পাদক এবিএস আব্দুর রাজ্জাক, ঢাকা মহানগর দণি বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রশীদ হাবিব, শেখ রবিউল আলম রবি, এমএ হান্নান, সাংগঠনিক সম্পাদক তানভীর আহমেদ রনি, বিএনপি নেতা মোস্তফা কামাল হৃদয়, মো. দেলোয়ার হোসেন, মাহমুদুল আলম মন্টু, যুবদলের নূরুল ইসলাম নয়ন, সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন হাসান, স্বেচ্ছাসেবক দলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, সহ-সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, শ্রমিক দলের নূরুল ইসলাম খান নাসিম, মহিলা দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হেলেন জেরিন খান, মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইসতিয়াক আজিজ উলফাত, সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান, উলামা দলের সাধারণ সম্পাদক শাহ মো. নেসারুল হক, তাঁতী দলের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, জাসাসের সাধারণ সম্পাদক হেলাল খান, যুবদল ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি এসএম জাহাঙ্গীর হোসেন, সিনিয়র সহ সভাপতি মোস্তফা কামাল রিয়াদ, স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি ফখরুল ইসলাম রবিন, সাধারণ সম্পাদক গাজী রেজওয়ানুল হোসেন রিয়াজ, ঢাকা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দল দক্ষিণের সভাপতি এসএম জিলানী, জিয়া পরিষদের মহাসচিব ড. এমতাজ হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব আব্দুল্লাহিল মাসুদ, ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আলমগীর হাসান সোহান, এজমল হোসেন পাইলট, আবু আতিক আল হাসান মিন্টু, ইখতিয়ার রহমান কবির, আফরোজা খানম নাছরিন, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিয়া মো. রাসেল, ওমর ফারুক মুন্না, মেহবুব মাছুম শান্ত, কাজী মোখতার হোসেন, দফতর বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারী, সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়া, সহ-সাধারণ সম্পাদক রাজিব চৌধুরী পাপ্পু, আরিফা সুলতানা রুমা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ সম্পাদক বাশার সিদ্দিকী, ঢাকা মহানগর পশ্চিমের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান স্বপন, ঢাকা মহানগর উত্তরের দফতর সম্পাদক তানভীর আহমেদ খান ইকরামসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মীরা অনশন করেন। : ২০ দলীয় জোটের ছিলেন সাম্যবাদী দলের সাঈদ আহমেদ, মুসলিম লীগের অ্যাডভোকেট শেখ জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী, ইসলামী ঐক্যজোটের মাওলানা আবদুল করীম প্রমুখ। অনশন পরিচালনা করেন বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বাবুল।

অনশন ঘিরে জাতীয় প্রেসকাবের সামনে ব্যাপক সংখ্যক পুলিশ ও সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য মোতায়েন করা হয়। রাখা হয় জলকামানের গাড়িও। এ সময় ঢাকা মহানগর ছাত্রদল দক্ষিণের সভাপতি জহির উদ্দিন তুহিনসহ অন্তত বিএনপির ১০ নেতাকর্মীকে আটক করে পুলিশ।

রাজশাহী

আমার নেত্রী আমার মা বন্দি থাকতে দেব না, এই স্লোগান নিয়ে রাজশাহী মহানগর বিএনপি আয়োজিত বিএনপি চেয়ারপারসন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী আপসহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ষড়যন্ত্রমূলক সাজা প্রদানের প্রতিবাদে প্রতীকী অনশন কর্মসূচি বুধবার সকাল ৯টা হতে ৫টা পর্যন্ত নগরীর ঐতিহ্যবাহী ভুবন মোহন পার্কে অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক, মহানগর বিএনপির সভাপতি ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল। অনশনে উপস্থিত ছিলেন বাগমারা আসনের সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক আব্দুল গফুর, পুঠিয়া দুর্গাপুরের সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুস সাত্তার, বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সহিদুন্নাহার কাজি হেনা, সংরক্ষিত আসনের সাবেক এমপি জাহান পান্না, জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সভাপতি প্রফেসর কে.বি.এম মাহবুবুর রহমান, বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম রাজশাহীর সভাপতি অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর এনামুল হক, রাজশাহী বার এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট আবুল কাশেম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর আবুল হাসনাত, শহিদুল ইসলাম মুক্তা ও রাজশাহী জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মহসিন ইসলাম।

অন্যদের মধ্যে বোয়ালিয়া থানা বিএনপির সভাপতি সাইদুর রহমান পিন্টু, রাজপাড়া থানা বিএনপির সভাপতি শওকত আলী, মতিহার থানা বিএনপির সভাপতি আনসার আলী, শাহমখদুম থানা বিএনপির সভাপতি মনিরুজ্জামান শরীফ, মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম  শফিক ও অ্যাডভোকেট রইসুল ইসলাম, বোয়ালিয়া থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রবিউল আলম মিলু, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মতিন, শাহমখদুম থানা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মাসুদ, মতিহার থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক খাজদার আলী, রাজপাড়া যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শহিদ আলম, বোয়ালিয়া থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ইকবাল হোসেন দিলদার, শাহমখদুম থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জুবায়ের আহমেদ বাবু, রাজপাড়া থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মুরাদ পারভেজ পিন্টু।

আরো উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সভাপতি ওয়ালিউল হক রানা, রাজশাহী মহানগর যুবদলের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সুইট, জেলা যুবদলের সভাপতি মোজাদ্দেদ জামানী সুমন, মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন, মহানগর যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হাসনাইল হিকল, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম সমাপ্ত, সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুজ্জামান টিটু, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়কবৃন্দ জাকির হোসেন রিমন, আখতার হোসেন রিপন, পরাগ, আব্দুল ওয়াদুদ বাবলু, আনন্দ কুমার, যুবদল নেতা রতন, রাজশাহী মহানগর তাঁতী দলের সভাপতি আরিফুল শেখ বনি, সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান, রাজশাহী মহানগর মহিলা দলের যুগ্ম আহ্বায়িকাবৃন্দ অ্যাডভোকেট রওশন আরা পপি, অধ্যাপিকা সখিনা খাতুন, নুরুন্নাহার বেগম, জরিনা বেগম, মুসলেমা বেলী, রোজী, পুতুল, শিখা, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ইলিয়াস বিন কাসেম, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি আসাদুজ্জামান জনি, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রবি, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোর্তজা ফামিমসহ রাজশাহী মহানগর বিএনপির ৩৭টি ওয়ার্ডের সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি নেতা মিনু খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তা এখন আকাশ-ছোঁয়া। এই জনপ্রিয়তা দেখে তাঁকে দীর্ঘমেয়াদি কারাগারে রাখার জন্য পাঁয়তারা করছে সরকার। বিএনপিকে জালাও-পোড়াও আন্দোলনের জন্য উস্কানি দিচ্ছে। কারো উস্কানিতে সায় না দেয়ার জন্য নেতাকর্মীদের আহবান জানান তিনি । শেখ হাসিনাকে বিশ্ব দুর্নীতিবাজ, খুম ও গুমের রানি আখ্যা দিয়ে মিনু বলেন, জাতীয়তাবাদী দল কোনভাবেই মনোবল হারায়নি। আগামীতেও হারাবে না। তিনি নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিয়ে বিএনপি গণমানুষের দল কি না এবং তাদের দলের প্রতি মানুষের আস্থা আছে কি না যাচাই করার জন্য আওয়ামী লীগ নেতাদের প্রতি আহবান জানান। যতদিন হাসিনার পতন না হবে ততদিন আন্দোলন সংগ্রাম অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন মিনু। বেগম জিয়ার সাজার বিরুদ্ধে সকল প্রকার আন্দোলনে শরিক হওয়ার জন্য নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ জানান। সেইসাথে আগামীতে সকল প্রকার আন্দোলনে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করার আহবান জানিয়ে বক্তব্য শেষ করেন। সভাপতির বক্তব্যে মেয়র বুলবুল বলেন, গত ১০ বছরে যত দুর্নীতি ও খুন গুম হয়েছে জনগণ এর হিসাব চায় বলে তিনি বক্তৃতায় উল্লেখ করেন। তিনি আগামী কর্মসূচিতে সকলকে যোগদানের আহবান জানিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন। এরপর রাজশাহী বার এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি আবুল কাশেম প্রধান অতিথিকে পানি খাইয়ে প্রতীকী অনশনের সমাপ্তি ঘটান।

সিলেট

সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপি নেতৃবৃন্দ বলেছেন, দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার অন্যতম সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান দেশনায়ক তারেক রহমানের বিরুদ্ধে একটি ভুয়া রাজনৈতিক মামলায় সাজা প্রদানের ঘটনায় গোটাজাতি হতবাক হয়েছে। বিচার নামে অবিচার চালিয়ে ষড়যন্ত্রমূলক মামলার ফরমায়েশী রায়ে সাজা প্রদানের সাথে সাথে তিন বারের সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে পরিত্যক্ত ভবনের একটি নির্জন কারাগারে প্রেরণের মাধ্যমে দেশনেত্রীর উপর অমানবিক আচরণের জবাব বাংলাদেশের জনগণ দেবেই দেবে। এদেশে স্বৈরাচার আর বাকশালীদের পরিণতি কখনো ভাল হয়নি। অবৈধ আওয়ামী বাকশালী সরকারের জন্য লজ্জাজনক পরিণতি অপেক্ষা করছে। ইতিহাস থেকে শিক্ষা না নিলে, সময় থাকতে সরকারের শুভবুদ্ধির উদয় না হলে আওয়ামী অপশক্তিকে কঠিন মূল্য দিতে হবে। অবিলম্বে এই ফরমায়েসি রায় বাতিল করে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে।

বুধবার বিএনপি কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, দেশনায়ক তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় অন্যায় সাজা, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারের প্রেরণের প্রতিবাদে ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে নগরীর রেজিস্টারি মাঠে অনুষ্ঠিত অনশন কর্মসূচিতে বক্তারা উপরিক্ত কথা বলেন। এদিক, সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া অনশন কর্মসূচি বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলার কথা থাকলেও সিলেটে রাষ্ট্রপতির আগমন উপলক্ষে প্রশাসনের বার বার অনুরোধের প্রেক্ষিতে দুপুর ১২টায় মোনাজাতের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি সমাপ্ত করা হয়।

সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপি আয়োজিত অনশন কর্মসূচিতে জেলা ও মহানগর বিএনপি ছাড়াও মুক্তিযোদ্ধা দল, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দল, শ্রমিক দল ও জাসাস সহ অঙ্গ, সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সিলেট জেলা সভাপতি আবুল কাহের চৌধুরী শামীম এর সভাপতিত্বে, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রব চৌধুরী ফয়সল ও মহানগর সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকীর যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সংক্ষেপিত অনশন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন— বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা আলহাজ্ব এম.এ হক, উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, বিএনপির কেন্দ্রীয় সিলেট বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক এমপি দিলদার হোসেন সেলিম, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সিলেট সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ডা: শাহরিয়ার হোসেন চৌধুরী, সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন ও সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিম, জেলা সাধারণ সম্পাদক আলী আহমদ, মহানগর সহ-সভাপতি এডভোকেট হাবিবুর রহমান হাবিব, সহ-সভাপতি সালেহ আহমদ খসরু, জেলা সহ-সভাপতি কামরুল হুদা জায়গীরদার, মহানগর সহ-সভাপতি সিসিক কাউন্সিলর ফরহাদ চৌধুরী শামীম, সহ-সভাপতি সিসিক প্যানেল মেয়র রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, জেলা সহ-সভাপতি ও কানাইঘাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আশিক উদ্দিন চৌধুরী, সহ-সভাপতি একেএম তারেক কালাম, সহ-সভাপতি হাজী শাহাব উদ্দিন, সহ-সভাপতি জালাল উদ্দিন চেয়ারম্যান, মহানগর সহ-সভাপতি ডা: নাজমুল ইসলাম, সহ-সভাপতি অধ্যাপিকা সামিয়া বেগম চৌধুরী, জেলা উপদেষ্টা আহমদ আলী, মহানগর উপদেষ্টা সৈয়দ বাবুল হোসেন, জেলা উপদেষ্টা হাজী কাঞ্চন মিয়া ও সিরাজ মিয়া, মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজমল বখত চৌধুরী সাদেক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী, জেলা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশীদ মামুন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাফেক মাহবুব, জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক এমরান আহমদ চৌধুরী, আব্দুল আহাদ খান জামাল ও আবুল কাশেম, মহানগর সাংগঠনিক মুকুল মোর্শেদ প্রমুখ।

এদিকে, সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপির অনশন কর্মসূচিতে মিছিল সহকারে যোগদান করেন সিলেট ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ। বুধবার সকাল ১০টায় মিছিলটি নগরীর বন্দর বাজার থেকে শুরু হয়ে ঐতিহাসিক রেজিস্টারি মাঠে গিয়ে অনশন কর্মসূচিতে যোগদান করে। উক্ত মিছিলে উপস্থিত ছিলেন সিলেট সদর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রউফ, মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ সাধারণ সম্পাদক ওসমান গণি, আলী আহমদ আলম, রুনু আহমদ, মদন মোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শিহাব খান, সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রদল নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সোহেল রানা, দিলদার হোসেন শামীম, সেলিম আহমদ, জিয়াউর রহমান জিয়াব, আব্দুস সালাম, রুবেল আহমদ, সেলিম মিয়া, হাবিবুর রহমান হাবিব, আনহার খান রাজু, পাপ্পু দাস, এমদাদুল ইসলাম মিজান, ইকবাল আহমদ, রুবেল আহমদ, হাফিজ আহমদ, সুমন আহমদ, মিটু কাপালী, আব্দুল আজিজ, মুক্তার আহমদ মুক্তার, আফজল হোসেন, মাহবুবুল আলম সৌরভ, আহমেদ শাহীন, চৌধুরী সোবহান আজাদ, সাদেক আহমদ ফারুকী, সাহেদ আহমদ কাবেরী, জুয়েল আহমদ, রিপন আহমদ, আতিকুর রহমান ফয়ছল, জইন আহমদ জয়, ফরহাদ আহমদ চৌধুরী, সাদ্দাম হোসেন মিলন, মুহিবুর রহমান, মইনুল হাসান তালুকদার, মাহমুদুল হাসান, কামরান উদ্দিন অপু, ইমন আহমদ, সোহানুর রহমান বাপ্পী, আজমীর হোসেন, সোহাগ আহমদ, ইমন আহমদ, সানোয়ার হোসেন সজীব, কামরুল ইসলাম রাজু, সুজন আহমদ সুজন, আতিক আহমদ, ইমরান আহমদ রাফি, নুবেল হোসেন সাইম, মিয়াদ আহমদ, শিপন, সারওয়ার, বপেন, পিংকু, মিসবাহ, রেজওয়ান আহমদ, নাহিদ, শিপন আহমদ, ইয়াছিন, ইমরান, লাবিব, তারেক, রুমন, নয়ন, অপু, সাব্বির, আরাফাত, রুমন, হাবিব, আশফাক, দেব, তানিম, দ্বীপ, ইমন, সামাদ, জামিল, রাহিম প্রমুখ। : অপরদিকে জিয়া এতিমখানা ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর প্রতিবাদে বিএনপির কেন্দ্রীয় ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিশ্বনাথে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে বিএনপি। বুধবার, ফেব্রুয়ারি ১৪, সকালে উপজেলা সদরের পুরান বাজারস্থ দলীয় কার্যালয়ের সামনে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

সিলেট জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সুহেল আহমদ চৌধুরীর নেতৃত্বে কর্মসূচি পালনে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মনির মিয়া, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হাজী আব্দুল হাই, জেলা বিএনপির সদস্য জসিম উদ্দিন জুনেদ, উপজেলা বিএনপির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হাফিজ আরব খান, যুব বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল মুমিন মামুন মেম্বার, বিশ্বনাথ সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল, রামপাশা ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক দিলোয়ার হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুছ, বিএনপি নেতা জাহিদুলী ইসলাম, আকবর আলী, হেলাল মিয়া, জালাল উদ্দিন, আলী হোসেন ইংরেজ, লিলু মিয়া, সুমন মিয়া, উপজেলা শ্রমিক দলের যুগ্ম আহবায়ক আনছার আলী, স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা সাজ্জাদ আলী শিবলু, ইরন মিয়া, জুবেল মিয়া, কবির মিয়া, যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক নানু মিয়া, শাহজাহান আলী, আব্দুর রব সরকার, যুবদল নেতা শাহিন মিয়া, শাহেল মিয়া, আব্দুল কাদির, ছাত্রদল নেতা ইমরান আহমদ সুমন, সাঈদ আহমদ, মাসুক আহমদ, আক্তার হোসেন, এমদাদ হোসেন, মাসুদ আহমদ সুমন প্রমুখ।

কিশোরগঞ্জ

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় রায়ে দন্ডিত বিএনপি চেয়ারপারসন ও  সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সাজার প্রতিবাদে এবং অবিলম্বে মুক্তির দাবিতে কিশোরগঞ্জে জেলা বিএনপির উদ্যোগে অনশন কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। কেন্দ্রিয় কর্মসূচির অংশ হিসাবে গতকাল সকাল ১০ টায় জেলা শহরের ঐতিহাসিক রথখোলা ময়দানে অনশন কর্মসূচি শুরু হয়।

ঘন্টাব্যাপী কর্মসূচি চলাকালে জেলা বিএনপির সহ সভাপতি মোঃ আমীরুজ্জামানের সভাপতিত্বে ও জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল আলমের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আশফাক, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুল আলম, জেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক সাইফুল ইসলাম সুমন ও খসরুজ্জামান শরীফ, সালাউদ্দিন আহমেদ বাচ্চু, হানিফ উদ্দিন আহমদ রনক, জেলা বিএনপির তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাক আহমেদ শাহীন, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মাসুদ সুমন, জেলা বিএনপির সহ প্রচার সম্পাদক তাজুল ইসলাম চপল, সহ প্রশিণ বিষয়ক সম্পাদক গোলাম মোস্তফা পারভেজ, সহ দফতর সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফয়জুল করিম মুবিন, সহ ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক জীবন চন্দ্র দাস, জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মনিরুজ্জামান মিয়া জামান ও যুগ্ম আহবায়ক সাজ্জাদ হোসেন। বক্তারা অবিলম্বে খালেদা জিয়ার মুক্তিসহ তাঁর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সকল মামলা প্রত্যাহার দাবি করেন।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আলী মোহাম্মদ, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মোঃ শরিফুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট বদরুল মোমেন মিঠু, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক শেখ নূরুল ইসলাম, পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ কালু, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা অ্যাডভোকেট জেসমিন সুলতানা কবিতাসহ ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক সারোয়ার আলম, জেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক লুৎফুল হক টিটু, জেলা বিএনপিরসহ মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা মাহমুদা আক্তার, ওলামা দলের সভাপতি মাওলানা রফিকুল ইসলাম, সদর উপজেলা মহিলা দলের আহবায়ক মাার্জিয়া মোস্তাক কনক, জেলা বিএনপির সহ স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক প্রভাষক জুনায়েদ আলম খান, জেলা যুবদলের নেতা হুমায়ুন কবীর, আলমগীর, তারেক  উপজেলা বিএনপি নেতা মোঃ ওবায়দল্লা ওবায়েদ, থানা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ইব্রাহিম মোল্লা, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা পারভেজ, মাহফুজুল হক খান জিকু, ছাত্রদল নেতা মোঃ মারুফ মিয়া, মাছুম বিল্লাহ, ফেরদৌস আহমেদ নেভিন, সাঈদ সুমন, সোয়েব সাদেকীন বাপ্পী, মাহদী হাসান সাদবিন, নিশাদ, রেদওয়ানুর রহমান ওয়াকিউর, মুকলেছ বাবু, নাঈম, তারেক হাসান, শান্তসহ আরও অনেকেই। বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া একই দাবিতে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের উদ্যোগে আদালত পাড়ায় মিছিল ও সমাবেশ করেছে বিএনপি সমর্থক আইনজীবীরা। মিছিল শেষে প্রতিবাদ সমাবেশে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের জেলা সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ জালাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা যুবদলের আহবায়ক অ্যাডভোকেট শরীফুল ইসলাম, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মঞ্জুরুল ইসলাম জুয়েল, জেলা বিএনপির সহ আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আসাদ রেজা, অ্যাডভোকেট লিটন হিলালী, অ্যাডভোকেট মোঃ শফিউজ্জামান।

নরসিংদী

তিনবারের সফল প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলায় সাজা দেওয়া ও মুক্তির দাবিতে অনশন পালন করেছে নরসিংদী জেলা বিএনপি। বুধবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত শহরের চিনিশপুরস্থ জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে অনশন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন মাস্টার, সহ-সভাপতি সুলতানউদ্দিন মোল্লা, রোকেয়া আহমেদ লাকী, ফায়জুর চেয়ারম্যান, শহর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফারুকউদ্দিন ভূঞা, জেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক শাজাহান মল্লিক, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাকসুদ খান, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি রবিউল ইসলাম রবি, শহর বিএনপির সহ-সভাপতি ইকবাল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুল হক জাবেদ, জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এনামুল হক ইলিডন, মাসুদ রানা, নুরুজ্জামান মোল্লা, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি কবির আহমেদ, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি নজরুল ইসলাম ভূঞা, বিএনপির ডা: নাসিরউদ্দিন সরকার, আলমগীর, সোহেল রানা, কামরুল, যুবদলের রফিকুল ইসলাম মৃধা, জামান, লিয়াকতসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

মাদারীপুর

বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে মাদারীপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহান্দার আলী জাহান এর নেতৃত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডঃ জামিনুর হোসেন মিঠুর সঞ্চালনায় মাদারীপুর পুরান বাজার রেন্ট্রিতলা পৌর ভুমি অফিস চত্বরে এক অনশন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত অবস্থান ধর্মঘটে বক্তব্য রাখেন মজিবর রহমান হাওলাদার সহসভাপতি জেলা বিএনপি, আতিকুর রহমান হাওলাদার সহসভাপতি জেলা বিএনপি, বজলুর রহমান হাওলাদার সহ-সভাপতি জেলা বিএনপি, অ্যাডঃ সাইফুর রহমান চুন্নু সহসভাপতি জেলা বিএনপি, অ্যাডঃ জাফর আলী মিয়া সভাপতি সদর উপজেলা বিএনপি, পৌর বিএনপির সভাপতি অ্যাডঃ শরীফ সাইফুল কবির, মার্তুজা আলম ঢালী সাধারণ সম্পাদক সদর উপর বিএনপি, অ্যাডঃ রেজাউল করিম সাধারণ সম্পাদক মাদারীপুর জেলা আইনজীবী সমিতি, অ্যাডঃ গোলজার আহমেদ চিশতি,  আজিজুর রহমান হাওলাদার, আবুল বাসার বাচ্চু, অ্যাডঃ মিজানুর রহমান সভাপতি কালকিনি পৌরসভা বিএনপি, রাশেদুজ্জামান খান রাসেল আহবায়ক স্বেচ্ছাসেবক দল মাদারীপুর জেলা,  মোঃ শাহাদাত হোসেন সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক স্বেচ্ছাসেবক দল মাদারীপুর জেলা, অ্যাডঃ বদিউজ্জামান বাদল, সভাপতি জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন , অ্যাডঃ এমরাত হোসেন, অ্যাডঃ আব্দুর রাজ্জাক মিয়া,  অ্যাডঃ হাসানাত,  শহীদুল ইসলাম, শিশির, ফিরোজ শাহী, মামুন, জাকির, শাহীন,  মোঃ মনিরুজ্জামান মনির, সালাহউদ্দিন, আলীম, অ্যাডঃ মোশারফ হোসেন, অ্যাডঃ মজিবুর রহমান, অ্যাডঃ মহসিন মোড়ল, ইকবাল হোসেন, নান্নু গৌড়া, রফিক মাতুব্বর, আঃ লতিফ,  মোশারফ, যাচ্চু, আয়নাল, রিমন, রশিদ শিং, শুকুর, মিজান শরীফ, নাহিদ খান, তাজেল, রহমান, আলমগীর খান, অ্যাডঃ শামীম, অ্যাডঃ মনি, অ্যাডঃ শাহিন, মোঃ আজাদ খান,  মামুন চৌধুরী, রনি, টিপু, বুলি বেগম,  মোঃ সেলিম মুন্সী. মোঃ ইরাদ মুন্সী, মোঃ মিজান,  গোলজার, শাহালম, জাকির, তুহিন, নাহিদ, কামরুল, আজাদ খান, বাচ্চু, জাফরসহ অন্য নেতৃবৃন্দ। বক্তারা বলেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি না দিলে রাজপথে দুর্বার আন্দোলনের মাধ্যমে তাকে মুক্ত করে আনা হবে।

পটুয়াখালী

বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মিথ্যা মামলায় সাজা দেয়ার প্রতিবাদে পটুয়াখালীতে জেলা বিএনপির উদ্যোগে অনশন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকাল ৯টা থেকে শেরে বাংলা সড়কে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম এ রব মিয়ার নেতৃত্বে অনশন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। দুপুর ২টার সময় পুলিশের বাধার কারণে অনশন কর্মসূচি শেষ করতে হয়। কর্মসূচিতে এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মাকসুদ আহমেদ বায়েজিদ পান্না, সাংগঠনিক সম্পাদক ও সদর থানা বিএনপি সভাপতি অ্যাড . মজিবুর রহমান টোটন, প্রচার সম্পাদক মিজানুর রহমান, দফতর সম্পাদক অধ্যাপক গোলাম রহমান, ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক আলমগির হোসেন বাচ্চু, জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, জেলা মহিলা দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আফরোজা সীমা, সাংগঠনিক সম্পাদক ফারজানা রুমা, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলমগির হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক আল আমিন সুজন, জেলা ছাত্রদল নেতা সাইদুজ্জামান সামুন, রাহাত, সদর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মো: সেলিম, বাস্তুহারা দলের লালমিয়া সহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী।

গাজীপুর

গাজীপুর জানায়, বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে গাজীপুরে গণঅনশন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। বুধবার সকালে গাজীপুর জেলা ও মহানগর বিএনপির উদ্যোগে শহরের রাজবাড়ি সড়কের দলীয় কার্যালয়ে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। কর্মসূচিতে জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক শিল্পপতি মোঃ সোহরাব উদ্দিন, বিএনপি নেতা শাহ রিয়াজুল হান্নান, যুবদল নেতা প্রভাষক বশির উদ্দিন, বশির আহমেদ বাচ্চু, বিএনপি নেতা কাজী মাহবুবুল আলম গোলাপ, আনোয়ারুল ইসলাম, আব্দুল মোতালেব, শাখাওয়াত হোসেন সেলিম, সাবেক ছাত্রদল নেতা হুমায়ূন কবীর রাজু, আনোয়ারা বেগম, গুলনাহার বেগম।

মেহেরপুর

সকাল ৯টার দিকে শহরের বোসপাড়া এলাকায় জেলা বিএনপির কার্যালয়ের এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির সভাপতি মাসুদ অরুন। এতে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি আবদুর রহমান, ইলিয়াস হোসেন, পৌর বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর বিশ্বাস। সভায় উপস্থিত ছিলেন দলীয় নেতারা।

বগুড়া  

সকাল ৮টা থেকে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে অনশন কর্মসূচি শুরু হয়। চলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি ভিপি সাইফুল ইসলাম, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন চাঁন, জেলা ড্যাবের সভাপতি প্রফেসর ডা. শাহ মো. শাহজাহান আলীসহ বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতারা। এ সময় তারা খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানায়।

মুন্সীগঞ্জ

সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সদর উপজেলার মুক্তারপুর এলাকায় ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সড়কে শুরু হয় অনশন কার্যক্রম। মুন্সীগঞ্জে জেলা বিএনপির আয়োজনে দুপুর ১২টা পর্যন্ত নেতাকর্মীদের এই অনশন চলে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হাই, সিনিয়র সহসভাপতি আতাউর হোসেন বাবুল, সাধারণ সম্পাদক শহিদুল্লাহ শহীদ, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, টঙ্গিবাড়ী বিএনপির সভাপতি মনির ইসলাম পল্টন, জেলা যুবদলের সভাপতি তারেক কাশেম খান মুকুল, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সম্রাট ইকবাল, জেলা শ্রমিক দলের সদস্য সচিব আবদুল আজিজ স্বপন, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আমিরুল ইসলাম জসিম, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা প্রমুখ।

হবিগঞ্জ

সকাল ১০টায় হবিগঞ্জ পৌরসভা মাঠে জেলা বিএনপির গণঅনশন শুরু হয়। এতে বিএনপিসহ অঙ্গসংগঠনের দলীয় নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। সন্ধ্যায় পৌরসভা মাঠে ইফতারের মাধ্যমে গণঅনশনের সমাপ্তি ঘোষণা করা হবে। গণঅনশনে বিএনপির কেন্দ্রীয় সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ও হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মেয়র জি কে গউছ বলেন, ‘কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আমরা গণঅনশন পালন করছি। আর স্থানীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য আমরা আজ সবাই নফল রোজা রেখেছি।’

সুনামগঞ্জ

সকাল ৯টা থেকে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম নূরুলের নেতৃত্বে শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে অনশন কর্মসূচি শুরু হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ফজলুল হক আছপিয়া, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ওয়াকিফুর রহমান গিলমান, সহ-সভাপতি সেলিম উদ্দিন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম নূরুল, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ড. আবদুল হক প্রমুখ।

ঝালকাঠি

সকাল ১০টায় শহরের ফায়ার সার্ভিস সড়কের দলীয় কার্যালয়ে অনশনে বসেন জেলা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সভাপতি মোস্তফা কামাল মন্টু, সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম নুপুর, সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান খান বাপ্পি ও নলছিটি উপজেলা বিএনপির সভাপতি আনিছুর রহমান খান হেলাল।

মাগুরা

বেলা ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত ঘণ্টাব্যাপী মাগুরা সদর উপজেলা পরিষদের সামনে জেলা বিএনপির অনশন কর্মসূচি পালিত হয়। এ সময় জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আকতার হোসেনের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলী, খান হাসান ইমাম সুজা, অ্যাডভোকেট শাহেদ হাসান টগর, কুতুব উদ্দিন, ফারুক আহমেদ বাবুল প্রমুখ।

অনশনে কয়েকশ নেতাকর্মী অংশ নেয়। বক্তারা খালেদা জিয়াসহ  নেতাদের বিরুদ্ধে দেওয়া রায়কে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রমূলক দাবি করেন। তারা রায়ের তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে সাজা বাতিল করে মুক্তির দাবি জানান।

চুয়াডাঙ্গা

বেলা ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত জেলা শহরের সিনেমা হল রোডের অ্যাসোসিয়েশন হল চত্বরে অনশন কর্মসূচি পালন করা হয়। চুয়াডাঙ্গা পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম পিটুর সভাপতিত্বে কর্মসূচিতে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. শরিফুজ্জামান শরিফ প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন। এ সময় বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম, যুবদল নেতা মোকাররম হোসেন, মনিরুজ্জামান লিপ্টন ও আব্দুল পাপেন বক্তব্য দেন।

খুলনা

খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপি পৃথক পৃথকভাবে অনশন কর্মসূচি পালন করে। নগরীর কেডি ঘোষ সড়কে বিএনপির কার্যালয়ের সামনে মঞ্চ বানিয়ে সকাল ১০টা থেকে এই অনশন কর্মসূচি শুরু করে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে।

মহানগর বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জুর সভাপতিত্বে এই অনশন কর্মসূচিতে বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের  নেতারা এসে কর্মসূচির সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করেন। এখানে বক্তব্য দেন সিটি করপোরেশনের মেয়র বিএনপি নেতা মনিরুজ্জামান মনি, সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সেকেন্দার আলী ডালিম, ফখরুল আলম, নাজমুল ইদা সাগর প্রমুখ।

বিকেল ৫টায় বর্ষিয়ান জননেতা, ভাষাসৈনিক ও বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য এম নুরুল ইসলাম দাদু ভাই শরবত পান করিয়ে নেতাদের অনশন ভঙ্গ করান।

পাবনা

সকালে জেলা বিএনপির কার্যালয় চত্বরে অনশন কর্মসূচি পালিত হয়। ঘণ্টাব্যাপী এই কর্মসূচি চলাকালে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি আব্দুস সামাদ খান মন্টু, পৌর বিএনপির সভাপতি সাবির হাসান বাচ্চু, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোসাব্বির হোসেন সনজু, জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী মাহফুজা করিম বিনু প্রমুখ।

বক্তারা বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তাঁর নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান। একই সঙ্গে চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী অ্যাডভোকেট শিমুল বিশ্বাসের মুক্তির দাবি জানান। এ সময় বিএনপি কার্যালয়ের আশপাশে পুলিশের উপস্থিতি ছিল লক্ষ্যণীয়।

এদিকে পাবনার সুজানগর বিএনপির উদ্যোগে কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এ কে এম সেলিম রেজা হাবিবের নেতৃত্বে সকালে গণঅনশন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বক্তব্য দেন সেলিম রেজা হাবিব। বেড়া বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হক নান্নুর সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন বেড়া বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরুজ্জামন মনি, সুজানগর উপজেলা শ্রমিকদলের সভাপতি আব্দুল মান্নান মোল্লা, জেলা যুবদলের সহসভাপতি সিদ্দিকুর রহমান পিন্টু, সহ-সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ মন্ডল, স্বেচ্ছাসেবকদলের সভাপতি জাকির হোসেন, কৃষকদলের আহ্বায়ক কামরুল ইসলাম, ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদুল ইসলাম বাবু মণ্ডল প্রমুখ। এ ছাড়া বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের  নেতারা গণঅনশনে অংশগ্রহণ করেন।

কক্সবাজার

কক্সবাজারে অনশন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির মৎস্যজীবীবিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল, জেলা বিএনপির সভাপতি শাহজাহান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শামীম আরা স্বপ্না, সহসভাপতি সিরাজুল হক, দপ্তর সম্পাদক ইউসুফ বদরী, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মোহাম্মদ আলী, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল মাবুদ, সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দীনসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন এবং সহযোগী সংগঠনের জেলা, শহরসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেয়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

সকালে জেলা শহরের পাঠানপাড়ায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব হারুনুর রশিদের নেতৃত্বে অনশন কর্মসূচি পালিত হয়। এতে জেলা সদরের বিভিন্ন স্তরের  নেতারা অংশ নেন। অনশন শুরুর পর সেখানকার মাইক প্রশাসনের নির্দেশে খুলে নেওয়া হয়। তবে সাউন্ড বক্সের মাধ্যমে বিএনপির নেতারা বক্তব্য দেন।

অন্যদিকে শিবগঞ্জ উপজেলার ছত্রাজিতপুরে বিএনপির কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ শাহীন শওকতের নেতৃত্বে অনশন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

নেত্রকোনা

নেত্রকোনা জেলা মহিলা দলের উদ্যোগে বেলা ১১টা থেকে প্রেসক্লাবের সামনে অনশন কর্মসূচি পালিত হয়। অনশন চলাকালে পুলিশ মহিলা দলের নেতাকর্মীদের চলে যেতে বললেও তারা পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে অনশন কর্মসূচি পালন করে। এ সময় অবিলম্বে খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়ে বক্তব্য দেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য জেলা মহিলা দলের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট ড. আরিফা জেসমিন নাহীন, মহিলা দলের সদস্য রেবেকা আক্তার রুবী, আফিয়া বিলকিছ পান্না, আফরোজা মনসুর, নাসিমা বেগম, হালিমা খাতুন, ফাতেমা আক্তার, সেলিনা বেগম প্রমুখ।

নারায়ণগঞ্জ

আড়াইহাজার উপজেলায় সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত অনশন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। উপজেলার পাঁচরোখী এলাকায় শতাধিক নেতাকর্মী এই কর্মসূচিতে অংশ নেন। অনশন চলাকালে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি লুৎফর রহমান আব্দু, আড়াইহাজার থানা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আজহারুল ইসলাম লাবলু, ছাত্রদল নেতা আপেল মাহমুদ, রানা আশরাফসহ স্থানীয়  নেতারা।

লক্ষ্মীপুর

দুপুরে বিএনপি কার্যালয়ে জেলা বিএনপির সভাপতি আবুল খায়ের ভূঁইয়া নেতাকর্মীদের নিয়ে অনশন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাঈন উদ্দিন চৌধুরী রিয়াজ, পৌর বিএনপির সভাপতি মাহবুবুর রহমান লিটন, সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম শাহিন, পৌর যুবদলের সভাপতি আবদুল আলিম হুমায়ুন, সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি আবদুল্লাহ আল মামুন, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল্লাহ আল খালেদসহ বিএনপির অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন শাখার নেতাকর্মীরা।

এদিকে সকালে লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাহাবুদ্দিন সাবু কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে নেতাকর্মীদের নিয়ে পৃথক অনশন করেন। এতে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান ছুট্টু, যুগ্ম সম্পাদক হারুনুর রশিদ বেপারী, সাংগঠনিক সম্পাদক হাছিবুর রহমান, জেলা যুবদলের সভাপতি রেজাউল করিম লিটন, যুবদল নেতা খালেদ মোহাম্মদ আলী কিরন, ইব্রাহিম হোসেনসহ শতাধিক নেতাকর্মী।

বাগেরহাট

জেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত অনশন কর্মসূচি পালিত হয়। এ সময় জেলা বিএনপির সভাপতি এম এ সালাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাফ্ফর রহমান আলমসহ বিভিন্ন উপজেলা নেতারা বক্তব্য দেন। অনশন কর্মসূচিতে জেলার নয়টি উপজেলার বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেয়।

  • তথ্যসূত্র – দিনকাল ও এনটিভি