(বিএনপি কমিউনিকেশন) — পবিত্র রমজানে খাদ্য পণ্যের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বুধবার, মে ১৬, সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে  বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, পবিত্র রমজান মাসে পিঁয়াজ, রসুন, চিনি, কাঁচা মরিচ, বেগুন, আলু, হলুদ, আদা, টমেটো, শসাসহ নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য পণ্যের দাম বৃদ্ধি এবং তা সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাওয়ায় আমি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি। রমজান মাসে নিয়ন্ত্রণহীণ গতিতে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের আকাশচুম্বী মূল্য বৃদ্ধিতে জনগণের নাভিশ্বাস উঠবে তা বলাই বাহুল্য।

 

বিএনপি মহাসচিব এর বিবৃতির পূর্ণপাঠ নিচে দেয়া হলো —   

“পবিত্র রমজান মাসে পিঁয়াজ, রসুন, চিনি, কাঁচা মরিচ, বেগুন, আলু, হলুদ, আদা, টমেটো, শসাসহ নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য পণ্যের দাম বৃদ্ধি এবং তা সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাওয়ায় আমি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি। রমজান মাসে নিয়ন্ত্রণহীণ গতিতে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের আকাশচুম্বী মূল্য বৃদ্ধিতে জনগণের নাভিশ্বাস উঠবে তা বলাই বাহুল্য। ক্ষমতাসীনদের সিন্ডিকেটের কারনেই নিত্য পণ্যের দামের এই লাগামহীন অবস্থা। বিভিন্ন ধরণের মসলাপাতিসহ খাদ্য পণ্যের দাম কেজি প্রতি ১০/১৫ টাকা থেকে শুরু করে ৪০/৫০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধিতে নিম্ন আয়ের মানুষের অবস্থা এখন বিপন্ন। পিঁয়াজের কেজি প্রতি মূল্য ২০ টাকা থেকে উন্নীত হয়ে আড়াই গুন ও তিন গুন হয়েছে, ৭০/৮০ টাকা কেজির নীচে বাজারে কোন কাঁচা শাকসব্জি পাওয়া দুস্কর। বেগুন ও ধনে পাতার মূল্য হু হু করে বৃদ্ধি পাচ্ছে-যা রোজার মাসের অতি প্রয়োজনীয় খাদ্য পণ্য।

চিনির মূল্য নিয়ন্ত্রণে না নিতে পেরে এখন একজন মন্ত্রী চিনির কল বন্ধ করার কথা বলছেন। অর্থাৎ তার বক্তব্য মনে হয়-হাতে ফোড়া হলে হাত কেটে ফেলাই ভালো। গণবিচ্ছিন্ন হলেই সরকারী নেতাদের উদ্ভট কথাবার্তা বলার প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। পবিত্র রমজান মাসকে কেন্দ্র করে সরকারের আস্কারাতে দেশের অসাধু ব্যবসায়ীরা বাড়তি মুনাফা লাভের জন্য কারসাজির মাধ্যমে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি করে মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলেছেন। কিন্তু মানুষের কষ্ট লাঘব করা দুরে থাক বরং সরকার চায় তাদের দলের লোকজন সিন্ডিকেট করে জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধির মাধ্যমে আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ হয়ে উঠুক।

একদিকে ভোটারবিহীন সরকারের সীমাহীন দুঃশাসনের যাঁতাকলে পিষ্ট মানুষ দু’বেলা পেটপুরে খেতে পাচ্ছে না, অন্যদিকে মুসলমানদের পবিত্র মাস এই রমজানে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের লাগামহীন মূল্য বৃদ্ধি তাদের জন্য ‘মরার ওপর খাঁড়ার ঘা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এহেন দূর্বিষহ পরিস্থিতিতে পবিত্র রমজান মাসে নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধিতে মানুষ এখন দিশেহারা। আমি রমজান মাসে সরকারের গণবিরোধী নীতির ফলে সৃষ্ট নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং অবিলম্বে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য পণ্যের দাম কমানোর জোর দাবি করছি।”