(বিএনপি কমিউনিকেশন) — বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী রোববার, জুলাই ২২, নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বলেন, গতকাল বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আইনজীবী ও পরিবারের সদস্যরা কারাগারে তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করেছেন। দেশনেত্রী বেগম জিয়া এখনও গুরুতর অসুস্থ। তাঁর জ্বর ও শরীরে প্রচন্ড ব্যথা কোনভাবেই কমছে না। তিনি দর্শণার্থীদের সাথে নিচে নেমে কথা বলেন, কিন্তু এখন তিনি খুব বেশী অসুস্থতার কারণে দোতলা থেকে নিচে নামতেই পারছেন না। এখনও তিনি মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছেন। তাঁর হাঁটা-চলা করতে কষ্ট হচ্ছে। কারাগারে অবর্ণনীয় কষ্টে বেগম জিয়ার অসুস্থতা দিনকে দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

প্রেসব্রিফিং এর বক্তব্যের পূর্ণপাঠ নিচে দেয়া হল —

সুপ্রিয় সাংবাদিক ভাই ও বোনেরা,

আস্সালামু আলাইকুম। সবাইকে জানাচ্ছি আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা।

বন্ধুরা,

গতকাল বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আইনজীবী ও পরিবারের সদস্যরা কারাগারে তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করেছেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এখনও গুরুতর অসুস্থ। তাঁর জ্বর ও শরীরে প্রচন্ড ব্যথা কোনভাবেই কমছে না। তিনি দর্শণার্থীদের সাথে নিচে নেমে কথা বলেন, কিন্তু এখন তিনি খুব বেশী অসুস্থতার কারণে দোতলা থেকে নিচে নামতেই পারছেন না। এখনও তিনি মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছেন। তাঁর হাঁটা-চলা করতে কষ্ট হয়। অর্থাৎ তাঁর শারীরিক সমস্যা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। কারাগারে অবর্ণনীয় কষ্টে রাখার জন্যই তাঁর অসুস্থতা দিনকে দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বারবার ইউনাইটেড হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসার দাবি জানানো হলেও সরকার ভ্রুক্ষেপহীন ও উদাসীন। যেন শারীরিকভাবে যন্ত্রণা দিতেই তাঁকে কারাগারের লাল দেয়ালের মধ্যে আটকিয়ে রাখা হয়েছে। এটা যেন এক ভয়াবহ প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার লক্ষ্য নিয়েই পরিকল্পনা প্রণয়ন করে এখন তা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। দেশনেত্রীর ওপর সরকার প্রধানের এই প্রতিহিংসা এক অশুভ অপশাসনেরই বার্তা দেয়। আমরা আবারও দলের পক্ষ থেকে সরকারের এই নির্দয় আচরণের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং অবিলম্বে তাঁর চিকিৎসার জন্য ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তির যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের আহবান জানাচ্ছি।

সাংবাদিক বন্ধুগণ,

রাজশাহী জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এ্যাডভোকেট এ কে এম মতিউর রহমান মন্টুকে গত গভীর রাতে তার রাজশাহীস্থ বাসা থেকে গোয়েন্দা পুলিশ গ্রেফতার করলেও এখনও পর্যন্ত তাকে গ্রেফতারের বিষয়টি স্বীকার করছে না। নির্বাচনকে ঘিরে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর বারবার বিবেকহীন এই নিষ্ঠুর আচরণের পূণরাবৃত্তি বিএনপি এবং দেশের মানুষের মনে আরও গভীর উদ্বেগ ও শঙ্কা চিরস্থায়ী রুপ নিয়েছে। আমি তাকে গ্রেফতার ও গ্রেফতারের বিষয়ে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী অস্বীকারে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি এবং অবিলম্বে তার অবস্থান নিশ্চিত করার জোর দাবি জানাচ্ছি।

সাংবাদিক ভাই ও বোনেরা,

আসন্ন তিন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে গত দু’তিন দিনে জনসমর্থনহীন নৌকা মার্কার প্রার্থীকে বিজয়ী করার জন্য আইন শৃঙ্খলা বাহিনী, স্থানীয় প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা খুলনা-গাজীপুরের সন্ত্রাসের আবহে নতুন মডেলের ভোট জালিয়াতির আসল রুপে আত্মপ্রকাশ করেছে। বিএনপি নেতাকর্মীদেরকে রাতদিন গণগ্রেফতার শুরু করেছে আইনশৃংখলা বাহিনী। নির্বাচনের দিন যতই এগিয়ে আসছে ধানের শীষের আবেদন আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। আওয়ামী চেতনায় সাজানো প্রশাসন নির্বাচনী এলাকাগুলোতে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর ইউরোপে মধ্যযুগীয় ‘ডাইনী শিকার’ এর ন্যায় অভিযানে নেমেছে। খুলনা ও গাজীপুরের স্টাইল গণতন্ত্র ও সুষ্ঠু নির্বাচনকে ক্রমাগত হত্যা করার স্টাইল। সেই স্টাইল ৩০ জুলাই তিনটি সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে এখনও বলবৎ রয়েছে। ক্ষমতাসীন দল বেআইনীভাবে জয়ী হতে চাচ্ছে বলেই বেপরোয়া গ্রেফতার, গণগ্রেফতারসহ এক আতঙ্কজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি করা হয়েছে। অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন না হওয়ার জন্য গণতন্ত্র মূমুর্ষ হয়ে পড়ে এবং তাতে অবৈধ ক্ষমতার মালিকদের ক্ষমতা সীমাহীনভাবে বেড়ে গিয়ে এক ভয়ঙ্কর অনাচারের রাজত্ব তৈরী হয়। সেজন্য বিরোধী রাজনৈতিক দল, মত, বিশ্বাসসহ সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকাকে এক ভীতিকর সঙ্কটের মধ্যে নিপতিত হয়।

সরকারদলীয় প্রার্থীদেরকে জেতাতে তিন সিটি কর্পোরেশন এলাকাতেই এই গ্রেফতার অভিযান চালানো হচ্ছে। রাজশাহীতে বিএনপি ও ২০ দলীয় জোটের ধানের শীষের প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল অভিযোগ করেছেন-তিনি গতকাল শনিবার সকালে নগরীর ৩নং ওয়ার্ডের বহরমপুর, দাসপুকার, ডিঙ্গাডোবা ও কড়াইতলা এলাকায় গণসংযোগ করার সময় লক্ষ্য করেছেন যে,সরকার তাদের মনোনীত প্রার্থীকে খুলনা ও গাজীপুর সিটির মতো জয়ী করার জন্য প্রশাসনের সহায়তায় কারসাজী করছে।

সরকার দলীয় প্রার্থী প্রতিনিয়ত নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গ করছে। কোটি কোটি টাকা খরচ করছে। বিএনপি নেতাকর্মীদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় বাধা প্রদান করা হচ্ছে। গত পরশু দিন থেকে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী বিএনপি নেতাকর্মীদের বাড়ীতে বাড়ীতে হানা দেয়া তীব্র আকার ধারণ করেছে। ভোটারদেরকে ভয় পাইয়ে দেয়াই এই পুলিশী অভিযানের মূল লক্ষ্য।

রাজশাহীতে ধানের শীষের প্রার্থীর যাদেরকে এজেন্ট মনোনীত করা হয়েছে, তাদের কারও নামেই মামলা নেই। অথচ গোয়েন্দা পুলিশ ধানের শীষের এজেন্টদেরকে নির্বিচারে আটক করে ১৫/২০ ঘন্টা পর তাদের নামে মিথ্যা ও বানোয়াট মামলায় অভিযুক্ত করে গ্রেফতার দেখানো হয়। পুলিশী এই অনাচার এখন ভয়াবহ রুপ নিয়েছে। রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন এলাকাকে ভীতিকর বিরানভূমিতে পরিণত করে জনশুন্য পরিবেশ সৃষ্টি করা যাতে নৌকা মার্কায় সন্ত্রাসীরা একতরফা অবাধে সিল মারতে পারে।

রাজশাহীতে নৌকা মার্কার প্রার্থীর পোষ্টার নির্বাচনী বিধানে বর্ণিত মাপের চেয়েও অনেক বড়, তথাপিও সেগুলো দেয়ালে সেঁটে আছে, এ বিষয়ে স্থানীয় নির্বাচনী কর্মকর্তাদের নিকট অভিযোগ করলেও তারা ঠুটো জগন্নাথ হয়ে নিশ্চুপ বসে আছেন।

সরকারদলীয় প্রার্থী রাজশাহী সিটিতে বহিরাগত সন্ত্রাসী ও অন্যান্য নেতাদের নিয়ে এসে ধানের শীষে প্রচার-প্রচারণায় ব্যাপকভাবে বাধা দিচ্ছে। জনগণের সমর্থন না পেয়ে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী এই ধরনের কর্মকা- করছেন।

১৯-০৭-২০১৮ ইং তারিখ নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গ করে নৌকা প্রতীকের পক্ষে গণসংযোগ ও ভোট প্রার্থনা করেন রাজশাহী ৩ আসনের সংসদ সদস্য আয়েন উদ্দিন, রাজশাহী ৫ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল ওয়াদুদ দারা ও সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম শিমুল।

গত ২০-০৭-২০১৮ ইং তারিখ রাতে রাজশাহী মহানগর যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাইনুল ইসলাম হারু, ৯নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা শিবলী, রাজপাড়া থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হাফিজুল ইসলাম আপেলকে কোন মামলা ও ওয়ারেন্ট ছাড়াই আটক করা হয়।

২১-০৭-২০১৮ ইং তারিখ আনুমানিক ভোর ৫টায় রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খন্দকার ওয়ায়েস করনী ডায়মন্ড, ২৬নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ইফতিয়ার মাহমুদ বাবুকে কোন মামলা ও ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার করা হয়েছে।

রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ এবং অস্থায়ীভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত (মাস্টাররোল) কর্মচারীদেরকে জোরপূর্বক ভয়ভীতি প্রদর্শন, হুমকী প্রদান করে নৌকার পক্ষে নির্বাচনী প্রচার কার্যক্রম চালাতে বাধ্য করা হচ্ছে।

কুখ্যাত সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী, অস্ত্রধারী লোক দ্বারা সমগ্র শহরে ব্যাপকভাবে বিএনপি নেতা-কর্মীদেরকে লাঞ্ছিত, ভয়ভীতি প্রদর্শন, লিফলেট কেড়ে নেওয়া ও অফিস ভেঙ্গে ফেলা অব্যাহত রয়েছে।

রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনে পোষাকধারী এবং সাদা পোষাধারী আইন শৃংখলা বাহিনী বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদেরকে ব্যাপকহারে গণ-গ্রেফতার, নেতাকর্মীদের বাসায় তল্লাসী, ভয়ভীতি এবং হুমকী প্রদান অব্যাহত রয়েছে।

২১-০৭-২০১৮ ইং তারিখ দুপুর ১.২০টায় রাজশাহী সিটি কর্পোরেশেন ৬নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি গোলাম নবী গোলাপকে কোন মামলা ও ওয়ারেন্ট ছাড়া আটক করা হয়। ১৫ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক বাবলুকে গতরাতে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

আমি তাদেরকে গ্রেফতারের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং অবিলম্বে তাদের নি:শর্ত মুক্তির জোর দাবি করছি।

বন্ধুরা,

আসন্ন তিন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন খুলনা ও গাজীপুরের মতোই ভীতিকর অবস্থায় পরিণত হয়েছে। তিন নির্বাচনী এলাকাতেই বিএনপিসহ বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদেরকে গ্রেফতার, গণগ্রেফতার, ভয়-ভীতি প্রদর্শণ, নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় বাধা, ধানের শীষের সমর্থক ও এজেন্টদেরকে সাদা পোশাকধারীদের কর্তৃক তুলে নেয়া ও তুলে নেয়ার পর অস্বীকার করার ধুম শুরু হয়েছে। সিলেটে দু’জন নেতাকর্মীকে পুলিশ কর্তৃক রাতে উঠিয়ে নেয়ার পর সকালে অস্বীকার করে। সিলেটে ধানের শীষের মেয়র প্রার্থী আরিফুল হক নির্বাচনী প্রচারণা বাদ রেখে নিজের নেতাকর্মীদের বাঁচাতে এবং তাদের মুক্তির দাবিতে গতকালও পুলিশ কমিশনারের অফিসের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন।

বরিশালেও বিএনপিসহ ২০ দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, তাদের বাড়ঘর ও নির্বাচনী অফিস ভাংচুর, হয়রানীসহ চলছে গ্রেফতারের হিড়িক। পুলিশী অভিযানে সারা বরিশালে শহরে আতঙ্ক বিরাজ করছে। বরিশাল জামায়াতের মহানগর সেক্রেটারী জহিরুদ্দিন মো: বাবরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এছাড়া রাতে ১০ নং ওয়ার্ডের এক যুবদল নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।  ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীরা তাদের নিশ্চিত পরাজয় জেনে এভাবে তিন সিটি কর্পোরেশন এলাকাতেই পুলিশকে দিয়ে এক আতঙ্কজনক পরিবেশ তৈরী করে রেখেছে। বরিশাল সিটি নির্বাচনে ১২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী ও বিএনপি বরিশাল মহানগরের সহ-সভাপতি এ কে এম শহীদুল্লাহকে পোষ্টার ছেঁড়া ও ছবি ভাংচুরের মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে পুলিশ তাকে নানাভাবে হয়রানী করছে।

নির্বাচন কমিশনের নিকট দায়েরকৃত কোন অভিযোগের ব্যাপারে কিংবা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে এখনও পর্যন্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।

প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ নির্বাচন কমিশনারবৃন্দ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের উর্দ্ধতন কর্মকর্তা হিসেবে বিশ^স্ততার সহিত দায়িত্ব পালনের শপথ নিয়েছেন, কিন্তু খুলনা-গাজীপুরসহ চলমান সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনগুলোতে ঢালাও অনিয়ম ও অনাচারে সমগ্র নির্বাচনী ব্যবস্থা তছনছ হওয়ার পরেও তাদের নীরব দর্শকের ভূমিকা অনাকাঙ্খিত, অনভিপ্রেত ও অপ্রত্যাশিত। শুধু নীরব নয় বরং সরকারের অনুষঙ্গ হিসেবেও কাজ করছে তারা। ভোট সন্ত্রাসকে মহিমান্বিত করতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য ও কমিশনের বক্তব্য অভিন্ন। সরকারী দলের প্রার্থীকে জেতানের জন্য প্রশাসন ও দলীয় ক্যাডারদের দাপটে ভোটার’রা আতঙ্কিত, অথচ এসব বিষয়ে নির্বাচনে কমিশনে হাজারো অভিযোগ দাখিল করলেও কখনও কোন পদক্ষেপ কমিশনের পক্ষ থেকে নেয়া হয়নি, মনে হয় তারা চমকপ্রদ ঘুমের বড়ি খেয়ে নিদ্রামগ্ন থাকেন। নির্বাচন নিয়ে এই কমিশন এখনও পর্যন্ত কোন অগ্রগতির দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারেনি, বরং বৃত্তপথেই ঘুরে বেড়াচ্ছে। গণতন্ত্রের অপরিহার্য উপাদান নির্বাচন নিয়ে অন্ধকার ঘন থেকে ঘনতর হওয়ার মূহুর্তে বিবেকবান মানুষদের দায় থাকে, চাকুরীজীবীদের দায় থাকে না।

ধন্যবাদ সবাইকে। আল্লাহ হাফেজ।