(বিএনপি কমিউনিকেশন) — জাগপার সভাপতি রেহানা প্রধান সোমবার, অক্টোবর ২২, সকালে  ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহে ওয়াইন্না ইলাইহে রাজেউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর। রেহানা প্রধান-এর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান প্রদত্ত শোকবার্তার পূর্ণপাঠ নিচে দেয়া হলো    

“মরহুম রেহানা প্রধানের মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত ও ব্যথিত হয়েছি। ছাত্র জীবন থেকে রেহানা প্রধান মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকারের পক্ষে সোচ্চার ছিলেন। দেশের স্বাধীনতার ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা স্বপক্ষে একটি কন্ঠস্বর রেহানা প্রধান। আধিপত্যবাদ বিরোধী সংগ্রামে অগ্রনায়ক মরহুম শফিউল আলম প্রধানের সহমর্ধিনী হিসেবে রেহানা প্রধান তাঁর স্বামীর রাজনৈতিক সকল কর্মকান্ডকে উৎসাহ ও প্রেরণা যুগিয়েছেন।  বর্তমান ফ্যাসীবাদী, নব্যবাকশালী সরকারের বিরুদ্ধে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ২০ দলীয় জোটের শরীক দল হিসেবে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও মানুষের ভোটাধিকার আদায়ের সংগ্রামে মরহুম শফিউল আলম প্রধান যেমন উচ্চকন্ঠ ছিলেন তেমনি মরহুমা রেহানা প্রধানও ছিলেন দৃঢ়চেতা নেত্রী। দেশের এই ক্রান্তিকালে তাঁর মত একজন আদর্শনিষ্ঠ নেতৃত্বের বড় প্রয়োজন ছিলো। দেশের এই সংকটে রেহানা প্রধানের মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত হয়েছি। মরহুমার এলাকাবাসী, জাগপার নেতাকর্মী, পরিবারবর্গ ও আত্মীয়স্বজনদের মতো আমিও তাঁর মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত ও ব্যথিত হয়েছি।  

আমি মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যবর্গ, আত্মীয়স্বজন, গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।”

অপর এক শোকবার্তায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জাগপার সভাপতি রেহানা প্রধানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। শোকবার্তায় তিনি বলেন, দেশের এই বর্তমান নৈরাজ্যময় পরিস্থিতিতে রেহানা প্রধানের মত একজন দৃঢ়চেতার নেতৃত্বের পৃথিবী থেকে চলে যাওয়া গভীর শুন্যতার সৃষ্টি করলো। এই দুঃসময়ে অধিকারহারা মানুষের পক্ষে সোচ্চার কন্ঠ ছিলেন মরহুমা রেহানা প্রধান। তাঁর স্বামী মরহুম শফিউল আলম প্রধানের ন্যায় রেহানা প্রধানও দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের প্রশ্নে কখনই আপোষ করেননি। বর্তমান দুঃশাসন থেকে জনগণকে মুক্ত করতে ২০ দলীয় জোটের অংশীদার হিসেবে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সকল সংগ্রামে তিনি ছিলেন অবিচল ও নির্ভিক। স্বৈরাচারে অপকর্ম মোকাবেলায় তিনি কখনই পিছপা হননি।  

মরহুমার এলাকাবাসী, জাগপার নেতাকর্মী, পরিবারবর্গ ও আত্মীয়স্বজনদের মতো আমিও তাঁর মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত ও ব্যথিত হয়েছি। দোয়া করি-মহান রাব্বুল আলামীন যেন মরহুমা রেহানা প্রধানের বেহেস্ত নসীব এবং শোকার্ত পরিবারের সদস্যদেরকে ধৈর্যধারণের ক্ষমতা দান করেন।

বিএনপি মহাসচিব শোকবার্তায় মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যবর্গ, আত্মীয়স্বজন, গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

অপর আর এক শোকবার্তায় বিএনপি জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ২০ দলীয় জোটের সমন্বয়ক নজরুল ইসলাম খান জাতীয় গণতান্ত্রিক পাটির সভাপতি  রেহানা প্রধানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি রেহানা প্রধানকে এই দুঃসময়ের সাহসী নেতা হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন,”চারিদিকে যখন নিরাশার ছবি, দেশের মানুষ যখন আতঙ্ক ও ভয়ের মধ্যে, সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা যখন বিপন্ন, তখন মরহুমা রেহানা প্রধানের মতো অকুতোভয় নেত্রীর আমাদের মাঝ থেকে চলে যাওয়া খুবই দুঃখ ও বেদনার।

জনাব নজরুল ইসলাম খান শোকবার্তায় মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যবর্গ, আত্মীয়স্বজন, গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।